
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের ধারাবাহিকতায় স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার অন্যতম অনুষঙ্গ হবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী কর্মজগৎ তৈরি করা। যার ধারাবাহিকতায় এরই মধ্যে ডিজিটাল খাতে ২০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা ২০২৫ সালে ৩০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সারাদেশে প্রতিটি সংসদীয় আসনে ০১টি করে মোট ৩০০টি শেখ রাসেল স্কুল অব ফিউচার স্থাপনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের মধ্যে ৬০ হাজার ৬৮০ জন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ১ লাখ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ দিবে।
বৃহস্পতিবার (১ জুন) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট পেশ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রস্তুতি’ নিয়ে বলতে গিয়ে এসব তথ্য জাতীয় সংসদে প্রকাশ করেন।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, চতুর্থ শিল্প-বিপ্লব আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা দুটোকেই সমান্তরালভাবে নিয়ে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের ধারাবাহিকতায় আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, যার অন্যতম অনুষঙ্গ হবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী কর্মজগৎ তৈরি করা। ইতোমধ্যে আইটি ফ্রিল্যান্সিং, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার শিল্প, বিপিও, ই-কমার্স, রাইড শেয়ারিং, ফিনটেক, এডুটেক, ইন্টারনেট সার্ভিস খাতে ২০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে, যা ২০২৫ সাল নাগাদ ৩০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) মাধ্যমে এনহান্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট এন্ড ইকোনমি (ইডিজিই) প্রকল্প, এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)সহ আইসিটি বিভাগের অন্যান্য প্রকল্প থেকে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), অগমেন্টেড রিয়ালিটি (এআর), ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর), বিগ ডেটা, ব্লকচেইন, সাইবার সিকিউরিটিসহ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। সারাদেশে এ পর্যন্ত ১৩ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি সংসদীয় আসনে ০১টি করে মোট ৩০০টি শেখ রাসেল স্কুল অব ফিউচার স্থাপনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ১০৯টি হাই-টেক পার্ক/সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক/আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। কুয়েটে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার ও শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ আইটি ইন্ডাস্ট্রির জনবলের চাহিদা বিবেচনা করে আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে ৬০ হাজার ৬৮০ জন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ১ লাখ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে। যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার ৮০০ জনের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। ১৫১টির অধিক স্টার্টআপকে ১ বছর মেয়াদি ইনকিউবেশন সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পার্কসমূহে পুরোদমে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু হলে আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে ৫২ হাজার তরুণ-তরুণী এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ২ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
Leave a Reply