
শাহজাহান বিশ্বাস: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান আগামীতে এই কাশাদহ থেকেই খাল খনন কর্মসুচির উদ্বোধন করবেন এটা আমরা আশা করতে পারি।কৃষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘঠিয়ে খাদ্যের স্বয়ংসম্পর্ণ ঘটিয়ে বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করার জন্য খাল কাটা কর্মসুচি হাতে নিয়েছেন বিপ্লবী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার দক্ষিণ শিবালয় এলাকায় যমুনা নদীর তীরে কাশাদহ পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সেচ প্রকল্পের ইরি-বোরো মৌসুমে পানি সরবরাহ কাযর্ক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথাগুলো বললেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস,এ জিন্নাহ কবীর।
তিনি আরো বলেন,বাংলাদেশটাকে একটা উন্নত দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে খাল খনন কর্মসুচির মাধ্যমে এই কাশাদহ খাল খনন করেছিলেন আমাদের সেই প্রাণ প্রিয় নেতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ারউর রহমান।কৃষিতে নির্ভর হওয়া এবং কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ারউর রহমান যে কর্মসুচি হাতে নিয়েছিলেন তা এই শিবালয়ের কাশাদহ থেকেই খাল কাটা কর্মসুচির উদ্বোধন করেছিলেন। আপনাদের এই সন্তানটির, ওনার সাথে এই খাল কাটার এবং কোদাল ধরার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল।আজকে সেই খালের পানি ছেড়ে দিয়ে এই এলাকার কৃষকের চাষা-বাদের সুবিধার জন্য পানি সরাবরাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

আপনারা জানেন ইতিমধ্যে বিপ্লবী প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ঘোষনা করেছেন আগামী দিনে দেশেটাকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য প্রথম পাঁচটি কর্মসুচির মধ্যে প্রথম দু’টি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসুচি’র একটি হলো মাদক, জুয়া, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি নির্মুল করা। আরেকটি হলো কৃষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘঠিয়ে খাদ্যের স্বয়ংসম্পর্ণ ঘটিয়ে বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করার জন্য খাল কাটা কর্মসুচি। ইন্নাশাআল্লাহ এই খাল কাটা কর্মসুচি আগামিতে আমাদের নেতা বিপ্লবী তারেক রহমান এই কাশাদহ খাল কাটার মাধ্যমেই পুণরায় খাল কাটার পরিকল্পনা নিয়েই আগামীতে ওই এই খাল খনন কর্মসুচির উদ্বোধন করবেন এটা আমরা আশা করতে পারি।
সাংবাদিকেদের তিনি বলেন, এই খালটাকে যদি পুনরায় খনন করে দুই পাশে মানুষের চলাচলের রাস্তা বা পার্কের মতো বসার পরিবেশ তৈরি করে দিতে পারি, পদ্মা-যমুনা এবং কাশাদহ খাল এটা একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আপনাদের লিখনির মাধ্যমে আগামী দুই বছরের মধ্যে ইনশাআল্লাহ এই কাশাদহ খাল একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
১৫টি বছর যদি আমরা লাড়াই করতে পারি, ১৫টি বছর যদি না খেয়ে গাছ তলায় ঘুমিযে একটি বিপ্লবকে সফল করতে পারি ইনশাআল্লাহ আগামী ৫বছর আমরা মাদককে না করে, চাঁদাবাজকে প্র্রত্যাখান করে, দখলদারকে প্রতিহত করে এবং আগামী ৫বছরে বাংলাদেশটাকে আমরা উন্নত শিখরে নিয়ে পৌছে দিতে সক্ষম হবো। আমার সকল সহযোদ্ধা ও তরুণদের কাছে এটাই আমি প্রত্যাশা করছি এবং আনুষ্ঠানিকভাবে এই কাশদহ খালের পানি সরবরাহের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করছি।
উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাশাদহ পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডে’র সভাপতি সফিউদ্দিন খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, শিবালয় উপজেলা নির্বহী অফিসার মনিষা রানী কর্মকার, সহকারি কমিশনার (ভুমি) জান্নাতুল নাঈম, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটি’র সদস্য সত্যেন কান্ত পন্ডিত ভজন, শিবালয় উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি রহমত আলী লাভলু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটন, যুবদলের আহবায়ক মো. হোসেন আলী, কাশাদহ পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সাধারণ সম্পাদক মো. আরোঙ্গ প্রমুখ।
এছাড়া স্থানীয় কৃষক এবং বিএনপি নের্তৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালের ১লা ডিসেম্বর এই ঐতিহাসিক কাশাদহ খাল কাটার মাধ্যমে খাল খনন কর্মসুচির উদ্বোধন করেছিলেন।
Leave a Reply