1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক মানিকগঞ্জে মানবপাচার প্রতিরোধে লিগ্যাল এইড কমিটির বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এবার ঈদে অব্যবস্থাপনা হলে প্রথমে ওই জায়গার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জরিমানা

হঠাৎ করে বিএনপিকে সংলাপে ডেকেছে ইসি

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩
  • ২৮৪ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোকে আলোচনার জন্য গত ২৩ মার্চ চিঠি দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। এরপর ফের আলোচনায় এসেছে সংলাপ রাজনীতি। হঠাৎ ইসির ডাকা সংলাপ নিয়ে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সমমনা দলগুলো এই সংলাপকে কৌশল হিসেবেই দেখছে। তারা বলছে, বিদেশিদের দেখাতেই এই সংলাপের আহ্বান। এ ছাড়া দেশবাসীকেও দেখাবে তারা চেষ্টা করছে কিন্তু বিএনপি আসছে না। যেখানে বিএনপি নির্দলীয় সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না সেখানে ইসির ডাকা এই সংলাপকে অনেকেই ইসির দায়মুক্তি চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। এদিকে নির্বাচন বিশ্লেষকরা মনে করছে, সরকার, বিরোধী দল ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে ভেতরে ভেতরে হয়তো কোনো আলোচনা চলছে। তাই বিএনপিকে সংলাপে ডেকেছে ইসি। আবার কেউ কেউ মনে করছে, এটি লোক দেখানো সংলাপের আহ্বান। কারণ দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হবে না।

তবে ইসি বলছে, বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে হয়নি। কমিশন সার্বিকভাবে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও একই দিনে নিজ কার্যালয়ে ইসি কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা বলেছিলেন কাউকে ভোটের মাঠে দাঁড় করিয়ে, মানে আনতেই হবে, তা কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাজ না। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তাদের আহ্বান করে থাকি, করতে পারি। কিন্তু তারা আসবে কি, আসবে না, সেটা তাদের ব্যাপার। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোকে দেওয়া চিঠিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল লিখেছেন, ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন করে আসছি। বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংসদ নির্বাচনের কথা অনুধাবন করে আসছে। চিঠিতে বর্তমান ইসি ও আগামী নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অবস্থানের কথা তুলে ধরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বর্তমান কমিশনের প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। আপনারা নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও আপনাদের এমন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও কৌশলের বিষয়ে কমিশনের কোনো মন্তব্য নেই। আপনাদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হলেও কমিশন মনে করে বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক না হোক, অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা বা মতবিনিময় হতে পারে। আপনাদের নির্বাচন কমিশনে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। সদয় সম্মত হলে দিন-ক্ষণ আলোচনা করে নির্ধারণ করা যেতে পারে। প্রত্যুত্তর প্রত্যাশা করছি। হঠাৎ বিএনপিকে সংলাপের আমন্ত্রণের পর বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তা হলে কী আগামী নির্বাচনে বিএনপি আসছে বা ইসির সংলাপে সাড়া দেবে।

এ প্রসঙ্গে সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম সময়ের আলোকে বলেন, একই দিনে পত্রিকায় পাশাপাশি দুটি নিউজ দেখলাম। একটি হলো বিএনপিকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আরেকটি হলো একজন কমিশনার বলছেন, কাউকে নির্বাচনে আনা ইসির দায়িত্ব নয়। আবার আজকেই (শনিবার) দেখলাম আর এক কমিশনার বলছেন বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে হয়নি। কমিশন সার্বিকভাবে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তা হলে কী দাঁড়াল।

আইনগতভাবে কাউকে নির্বাচনে আনার দায়িত্ব যেমন ইসির নয় ঠিক আছে তেমনই এটাও ঠিক যে, নির্বাচন কমিশনের কাজ হচ্ছে নির্বাচন করা। কেউ যদি নির্বাচন না করে তাহলে তো নির্বাচন কমিশনের কাজ থাকবে না। সব কমিশনই নির্বাচনের আগে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে। বিএনপি বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচনে আসবে না। এরপরও জেনেশুনেই প্রস্তুতি নিয়ে যেহেতু চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাই মনে হচ্ছে সরকার বিরোধী দল ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা হচ্ছে। তা না হলে এ রকম হওয়ার কথা না। এটা যদি হয় তাহলে আমাদের জন্য ভালো সংবাদ বলে মনে করি। কারণ আলোচনার টেবিলেই ৯০ ভাগ সমস্যার সমাধান করা যায় বলে মনে করছি।

অন্যদিকে সুজন সম্পাদক ও নির্বাচন বিশ্লেষক বদিউল আলম মজুমদার সময়ের আলোকে বলেন, এটা নিতান্তই একটা আনুষ্ঠানিকতা। বিএনপির যে দাবি এবং বাস্তবতা তাতে নির্বাচন কমিশন বিএনপির সঙ্গে সংলাপ করলেও সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে হয় না। অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, দলীয় সরকারের অধীনে কোনোদিনই সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। এর আগে দলীয় সরকারের অধীনে ৭টি নির্বাচন হয়েছিল যার সবগুলোই ছিল বিতর্কিত।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো প্রতিযোগিতামূলক সুষ্ঠু নির্বাচন করা। কিন্তু ইসি তাদের দায়িত্বটাই উপলব্ধি করতে পারছে না। তারা বারবার বলছে কাউকে নির্বাচনে আনা তাদের দায়িত্ব না। ইসির দরকার ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সংলাপ করা। তাদের (ক্ষমতাসীন) মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করা।

ইসি জানে বিএনপি আসবে না। এটা একটা লোক দেখানো আনুষ্ঠানিকতা। আলোচনা হতে পারে, তাতে সমাধান হবে না। বিএনপি ছাড়া তারা নির্বাচন করবে- এটা তারা প্রমাণ করেছে।

অন্যদিকে বিএনপিকে সংলাপে আমন্ত্রণের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবীব খান। গতকাল শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিএনপির মতো নিবন্ধিত অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক না হোক, অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় হতেই পারে। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও কমে যাবে। নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবীব বলেন, বিএনপিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে হয়নি। কমিশন সার্বিকভাবে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও বিএনপিকে একাধিকবার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই স্থানীয় সরকারসহ আগামীর সব নির্বাচন, বিশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার লক্ষ্যে আলোচনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে আসছে।

ইসি আহসান হাবীবের ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আসছে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে অর্থবহ করার জন্য বিএনপিকে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় এবং আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা বর্তমান নির্বাচন কমিশনের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ।

অন্যদিকে বিএনপিকে সংলাপের আহ্বান জানানোর ঘটনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি (জাপা)। দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু সময়ের আলোকে বলেন, ইসি বিএনপিকে হয়তো নির্বাচনে আনার চেষ্টা করছে। এটা ভালো উদ্যোগ। এখন বিএনপি নির্বাচনে যাবে কি যাবে না এটা তাদের বিষয়। আমরা চাই এবং দেশবাসীও চায় সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।

বিএনপিকে সংলাপের আহ্বান প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ সময়ের আলোকে বলেন, সবার অংশগ্রহণে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন দেখতে চায় আওয়ামী লীগ। অতএব, ইসি বিএনপিকে যে আমন্ত্রণ জানিয়েছে এটি একটি ভালো লক্ষণ।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। বিএনপি আসবে না যে বলছে, এটা হতে পারে তাদের স্ট্র্যাটেজি। আমরা জানি তারা ইতিমধ্যে বিভিন্নভাবে সার্ভে শুরু করেছে। তাদের শক্তি কী রকম, জনসমর্থন কী রকম, নির্বাচনের ফলাফল কী হবে এসব বিষয় যেহেতু তারা খোঁজখবর নিচ্ছে আমার মনে হয় তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য চিন্তাভাবনা করছে। ইসি হয়তো চাচ্ছে নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করুক। নির্বাচন যাতে সঠিক, স্বাভাবিকভাবে হয়। সে জন্য নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব পালন করছে।

সংলাপ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে ফোন করা হলে তিনি সময়ের আলোকে বলেন, এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই। আমাদের দলের মহাসচিব ও মুখপাত্র যা বলেছেন সেটিই আমাদের বক্তব্য।

উল্লেখ্য, বিএনপিকে সিইসির পাঠানো ওই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে পর দিন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের জানান, আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যেতে তারা রাজি নন।

এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য হলো নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা অর্থহীন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সংলাপে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিএনপি এ সংলাপে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না। কারণ বিএনপি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করছে।

বিএনপিকে সংলাপের আহ্বানকে কৌশল হিসেবে দেখছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলো। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম সময়ের আলোকে বলেন, এই সংলাপের কোনো মূল্য নেই। কারণ বাংলাদেশের কোনোখানে সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে না। দেশের সর্বোচ্চ প্রাণ হচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট- সেখানে পুলিশ আইনজীবীদের পিটিয়েছে যা পুরো পৃথিবী দেখেছে। সেখানে যদি সুষ্ঠু নির্বাচন না হয় অন্য জায়গায় তো কল্পনার বিষয়। হয়তো তারা বিদেশিদের দেখাতে চাচ্ছে আমরা সংলাপের চেষ্টা করছি। আবার জনগণকেও দেখাতে পারে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সময়ের আলোকে বলেন, আমরা এর আগেও ইসির সংলাপে অংশ নিয়েছি এবারও চিঠি পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেব। সংলাপে গেলে আমাদের সুনির্দিষ্ট কিছু দাবি-দাওয়া থাকবে।

উল্লেখ্য, ইসি গঠনের পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি নিয়ে গত বছরের ১৩ মার্চ দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী, ২২ মার্চ নাগরিক সমাজ, ৬ এপ্রিল প্রিন্ট মিডিয়ার সম্পাদক-সিনিয়র সাংবাদিক, ১৮ এপ্রিল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী-প্রধান বার্তা সম্পাদক-সিনিয়র সাংবাদিক, ৯ জুন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধি এবং ১২ জুন নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করে কমিশন।

এ ছাড়া গত ১৭ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করে সংস্থাটি। এ সময় বিএনপিসহ ১২টি দল ইসির ডাকে সাড়া দেয়নি। সুত্র: সময়ের আলো

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :