1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক মানিকগঞ্জে মানবপাচার প্রতিরোধে লিগ্যাল এইড কমিটির বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এবার ঈদে অব্যবস্থাপনা হলে প্রথমে ওই জায়গার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জরিমানা

সেহরি খাওয়া অবস্থায় ফজরের আজান হলে কী করবেন?

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০২৩
  • ২০০ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: অনেক সময় ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে সেহরিতে দেরি হয়ে যায়। দেখা গেছে, সেহরি খাওয়া শুরু করেছে কিংবা খাওয়া শেষ হয়নি এমন সময় আজান হয়ে যায়; এসময় করণীয় কী?

হ্যাঁ, সেহরি খাওয়া অবস্থায় ফজরের আজান শুরু হলে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এ অবস্থাতেই যথারীতি রোজা পালন করবে। তবে সেহরির শেষ সময়ের পর ভুলক্রমে বা অনিচ্ছাকৃত পানাহার করার কারণে রোজা ভঙ্গ হলে এই রোজাটি রমজানের পর পুনরায় কাজা করতে হবে।

কিন্তু আজান শোনার পরও যদি পানাহার বন্ধ না করেন, তাহলে কাজা ও কাফফারা আদায় করতে হবে। কারণ, প্রথমে ভুলবশত খাওয়া হলেও পরে ইচ্ছাকৃত খাওয়ার দ্বারা রোজা ভঙ্গ করা হয়েছে। তবে যদি সেহরির সময় থাকার সময় কেউ আজান দিয়ে দেয় তবে সে বিষয়টি ভিন্ন।

মনে রাখতে হবে

আজান হলো ফজরের নামাজের জন্য, সেহরি খাওয়া বন্ধ করার জন্য নয়। তাই সেহরি এর আগেই বন্ধ করতে হবে। আজান কখনও সেহরির সময়ের মধ্যে দেওয়া হয় না; আজান ফজরের ওয়াক্ত হওয়ারও একটু পরে দেওয়া হয়। কারণ, সেহরির সময় বাকি থাকলে ফজরের ওয়াক্ত হয় না। আর ওয়াক্ত হওয়ার আগে আজান দিলে আজান আদায় হবে না।

উল্লেখ্য, হাদিস শরিফে যে আজানের পরেও খাওয়ার কথা আছে, তা হলো তাহাজ্জুদের আজান; ফজরের আজান নয়। যা এখনও মক্কা ও মদিনায় প্রচলিত আছে। (ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি)

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :