1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক মানিকগঞ্জে মানবপাচার প্রতিরোধে লিগ্যাল এইড কমিটির বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এবার ঈদে অব্যবস্থাপনা হলে প্রথমে ওই জায়গার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জরিমানা

খুলনায় ধানে ব্লাস্টের থাবা, ঈদে ছুটি বাতিল কৃষি বিভাগের

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৮০ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: খুলনায় কৃষকের কষ্টের ধানে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। জেলার বেশিরভাগ বোরো ক্ষেতে ব্লাস্ট ছড়িয়েছে ব্রি-২৮ জাতের ধান। ধান কাটার সময়ে শীষে এখন চিটে ঝুলছে বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা।

এদিকে, সংকট মোকাবিলায় উপজেলা পর্যায়ের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ঈদের ছুটি বাতিল করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

কৃষি অফিসের সূত্র বলছে, জেলার ২০ হেক্টর জমিতে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ হয়েছে। এই রোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ডুমুরিয়া উপজেলার। সেখানে ৮ হেক্টর জমিতে রোগটি দেখা দিয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত খুলনার অন্য উপজেলাগুলো হলো- রূপসা, বটিয়াঘাটা, দিঘলিয়, ফুলতলা, তেরখাদা, দাকোপ, পাইকগাছ ও কয়রা। এসব এলাকায় ব্রি ২৮, ব্রি ৬৭, ব্রি ৬৩, ব্রি ৮১, ব্রি ৮৯, ব্রি ৯২, হিরা-২ ও হিরা সূবর্ণ-৩ ধান রয়েছে। আক্রান্ত এলাকা বিশেষ করে ডুমুরিয়া, বটিয়াঘাটা, তেরখাদা ও রূপসা উপজেলার কৃষক উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় রয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পরপর দু’বছর করোনার ধাক্কা আর এবারের অনাবৃষ্টিতে আমনের লোকসান কাটাতে খুলনার কৃষক ৬ মাস বোরো চাষে নামেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, ২০১৯ ও ২০২০ সালে করোনার বড় ধাক্কায় খুলনার কৃষক বোরোর ন্যায্য দাম পাননি। ২১ ও ২২ সালে খানিকটা একই অবস্থা ছিল। গেল আমন মৌসুমের অধিকাংশ সময় যায় অনাবৃষ্টিতে। আমন বাঁচাতে সেচ যন্ত্র এবং পশ্ববর্তী নদীর পানি ব্যবহার করতে হয় কৃষকদের। চালের সংকট নিরসন করতে খুলনার কৃষক বোরো আবাদ শুরু করেন গত বছরের নভেম্বর মাস থেকে। গত ৬ মাস ধরে নানাভাবে এই ধানের পরিচর্যা করতে হয়েছে তাদের। এবার এই জেলার ৬৩ হাজার ৭৯০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে।

কয়রায় মহারাজপুর ইউনিয়নের কৃষক কামরুল ইসলাম জানান, ধান কাটার সময় শীষে চিটে দেখা যাচ্ছে। ব্রি ২৮ জাতের ধানের বীজ রোপণ করেছিলাম। সাড়ে ৩ বিঘা জমির আবাদে ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

রূপসা উপজেলা কৃষি অফিসার মো. ফরিদুজ্জামান কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন, জমিতে ব্লাস্ট ছাড়াও ব্যকটোরিয়াল লিফ ব্লাইট, ব্যকটোরিয়াল পেনিকেল ব্লাইট ও বাদামী গাছ ফড়িং বোরো ক্ষেতে আক্রমণ করছে।

লবণচরা মেট্রো কৃষি অফিসার জেসমিন ফেরদৌস উপ-পরিচালকের কার্যালয়কে জানিয়েছেন, মাঠের রোগবালাই দমনে ৩ সদস্যের স্কোয়ার্ড গঠন করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসরণ অধিদপ্তর খুলনার উপ-পরিচালক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ব্লাস্ট প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ব্রি ২৮ জাতের ধান পরবর্তীতে ব্যবহার না করতে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সংকটময় মুহূর্তে উপজেলা পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :