1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক মানিকগঞ্জে মানবপাচার প্রতিরোধে লিগ্যাল এইড কমিটির বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এবার ঈদে অব্যবস্থাপনা হলে প্রথমে ওই জায়গার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জরিমানা

আমনের ভরা মৌসুমেও কমছে না চালের দাম

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৩৩৭ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর চালের বাজারে প্রতিটি দোকানেই থরে থরে সাজানো রয়েছে চালের বস্তা। আমনের ভরা মৌসুম হওয়ায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাক ভর্তি চাল আসছে ঢাকায়। এভাবে বাজারগুলোতে চালের সরবরাহ বেড়েছে অনেক। তবে দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মিল পর্যায়ে এখনও দাম কমেনি- এ জন্য বাজারেও দাম কমছে না।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আমনের ভরা মৌসুমে প্রতিবছর চালের দাম কমলেও এবার না কমার কারণ ব্যবসায়ীদের অতি মুনাফার লোভ। এ ছাড়া সরকারি সংস্থাগুলোর কোনো নজরদারি নেই চালের মিল পর্যায়ে, থাকলে এতদিন চালের দাম কেজিতে ৩-৪ টাকা কমে আসত। এ বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান সময়ের আলোকে বলেন, ‘ভোগ্যপণ্যের বাজারে ব্যবসায়ীরা যে যার ইচ্ছেমতো মুনাফা করছে, যে যার ইচ্ছেমতো পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। অথচ এগুলো দেখার যেন কেউ নেই। মাঝেমধ্যে ভোক্তা অধিদফতর রাজধানীর বাজারগুলোতে অভিযানে নামে কিন্তু তাদের কখনো দেখলাম না চালের মিল পর্যায়ে অভিযান পরিচালনা করতে। অথচ এখন মিল পর্যায়ে অভিযান চালানো বেশি দরকার। কারণ আমনের ভরা মৌসুম শুরু হয়ে গেলেও মিল মালিকরা চালের দাম কমাচ্ছেন না।

চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরায় প্রতি কেজি মোটা চাল-গুটি স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫২ টাকায়। আর পাইজাম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৬-৬০ টাকায়। ভালো মানের বিআর-২৮ একটি প্রতি কেজি ৬২-৬৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নিম্নমানের বিআর-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৫৮ টাকায়।

মাঝারি মানের মিনিকেট চাল মিলছে প্রতি কেজি ৬৫-৬৮ টাকা এবং ভালো মানের মিনিকেট ৭২-৭৫ টাকায়। নাজিরশাইল চাল মানভেদে পাওয়া যাচ্ছে প্রতি কেজি ৭৪-৮৫ টাকায়। বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেটজাত চাল প্রতি কেজি ১০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে আটা-ময়দার দামও বেড়েই চলেছে।

খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকা এবং প্যাকেটজাত আটার কেজি ৭০-৭৫ টাকা। চিনির বাজারে অস্থিরতা এখনও কাটেনি। খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকা কেজি দরে। সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা লিটার আর মসুর ডাল মানভেদে ১২০-১৫০ টাকা কেজি। প্রতি ডজন ডিম এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়। যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ছিল ১৫০ টাকা পর্যন্ত।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পুরোনো আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজিতে। আর নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা কেজিতে।

এক সপ্তাহ আগে ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা কেজিতে। ৫০ টাকা কেজির শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকা কেজিতে। ৩০-৪০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মুলা বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকা কেজিতে। ৮০ টাকা কেজির বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে। পটোল ও লতির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে। আর ৩০ টাকা কেজির পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকা কেজিতে।

পেঁয়াজসহ পাতা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজিতে। শুধু পেঁয়াজের পাতা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। যা আগের সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা কেজিতে। তবে শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকা কেজি। এ ক্ষেত্রে কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা কেজিতে।

কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজিতে। যা সপ্তাহ আগেও ছিল ৬০-৭০ টাকা কেজি। ঢেঁড়সের কেজি ৫০-৬০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা, উচ্ছে ৮০ টাকা এবং গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। এ ছাড়া প্রতি পিস লাউ ৪৫-৬০ টাকা, আকার ভেদে ফুলকপি ২০-৩৫ টাকা, বাঁধাকপি ৩৫-৪০ টাকা এবং লালশাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজিতে। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা কেজিতে। মাঝারি মানের রুই ও মৃগেল মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৬০-৩০০ টাকায়। বড় রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪০০ টাকায়। পুঁটি মাছ ২৫০ টাকা, কাতল মাছ ৩৫০-৪০০ টাকা, শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৫০০ টাকা, টাকি মাছ ৬০০ টাকা, রূপচাঁদা ৭০০-৮০০ টাকা, বোয়াল ৬৫০-৭০০ টাকা, এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ ১১০০ টাকা এবং এক কেজির কম ওজনের ইলিশ ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকা দরে। সোনালি মুরগির কেজি ২৪০-২৫০ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংসের দাম। বাজারভেদে ৭০০-৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা ডজন। অর্থাৎ ৪০ টাকা হালিতে। দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকা কেজিতে। আমদানি ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা কেজিতে।

 

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :