1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময় এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা আমারও রয়েছে: তারেক রহমান ভূমিকম্প রেসপন্স টিমের আহবায়ক হলেন মানিকগঞ্জের প্রকৌশলী জাকির হোসেন দেশীয় জাতের প্রানীজ আমিষ খাদ্যের  চাহিদা সবার কাছে বেশি পছন্দের শিবালয়ে এস এ জিন্নাহ কবিরের প্রচারনা জনসভায় মানুষের ঢল শিবালয় উপজেলা পরিদর্শন করলেন নবাগত মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক অফিসের ব্যাগ চুরি: কথিত ৫ সাংবাদিক আটক শিবালয়ে স্কুলবাসে আগুণের ঘটনায় ৫জন আটক   সিংগাইরে এক যুবকের ওপর আর্তকিত হামলায় গুরুতর আহত সিংগাইরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন 

ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে তুরস্ক ও সিরিয়া

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১৯২ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: ভূমিকম্পে ভবন দুলে উঠতেই ঘুম ভেঙে যায় দক্ষিণ তুরস্কের আদানা শহরের বাসিন্দা নিলুফার আসলানের। একটি পাঁচতলা ভবনে থাকেন তিনি। ভূমিকম্পের মাত্রা বুঝে নিলুফার ধরেই নিয়েছিলেন, তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউই আর বাঁচবে না। তাই প্রতিবেশী স্বজনদের ডেকে বলেন, ‘ভূমিকম্প হচ্ছে। চলো, আমরা অন্তত সবাই একসঙ্গে এক জায়গায় মরি।’

তুরস্ক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে স্থানীয় সময় ভোরে ভূমিকম্প আঘাত হানে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.৮। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল সিরিয়ার সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গাজিয়ান্তেপে।

ভূমিকম্প যখন আঘাত হানে, তখন ওই অঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষ ছিল ঘুমন্ত। নিলুফার আসলান বলেন, ‘আমি জীবনে কখনো এমন কিছু দেখিনি। আমাদের ভবন প্রায় এক মিনিট পর্যন্ত দুলেছে।’

ভূমিকম্প থামতেই নিলুফার ভবনটি থেকে দৌড়ে বের হন। তিনি বলেন, ‘আমি নিজের সঙ্গে কিছুই নিতে পারিনি। বাইরে বেরোনোর পর দেখি ঘরে পরার স্যান্ডেল পরে আছি।’

বাইরে বের হয়ে নিলুফার দেখেন, আশপাশের চারটি ভবন ভেঙে পড়েছে।

ঘটনার সাক্ষী স্থানীয় লোকজন এভাবেই ভূমিকম্পের পর নিজেদের  আতঙ্ক ও বিস্ময়ের কথা প্রকাশ করে। সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের বাসিন্দা সামের বলেন, দেয়ালে টাঙানো ছবিগুলো নিচে পড়ে যায়। প্রচণ্ড আতঙ্ক নিয়ে ঘুম ভেঙে যায়।

তুরস্কের গাজিয়ান্তেপের বাসিন্দা এরদেম বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘শিশুদের যেভাবে দোলনায় দোল দেওয়া হয় আমার তখন সে রকম অনুভূতি হচ্ছিল। আমার ৪০ বছর বয়সে এমন কিছু কখনো দেখিনি। সবাই হয় নিজেদের গাড়িতে বসে ছিল, না হয় উন্মুক্ত জায়গায় যেতে গাড়ি নিয়ে ছুটেছে। আমি মনে করি, এখন একজন মানুষও নিজের ঘরে নেই।’

দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার সাংবাদিককে পাজারসিকের বাসিন্দা নিহাত আলতুনদাগ বলেন, ‘আমার চারপাশেই ছিল ভেঙে পড়া ভবন। অনেক ভবনে আগুন লেগে গিয়েছিল। শুধু ভেঙে ভেঙে পড়ছে এমন ভবনও ছিল। আমি এখন যেখানে সেখান থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরেই একটি ভবন ধসে পড়েছে। সবাই বাইরে রয়েছে, সবাই ভীত।’ সূত্র : বিবিসি

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :