1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক মানিকগঞ্জে মানবপাচার প্রতিরোধে লিগ্যাল এইড কমিটির বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এবার ঈদে অব্যবস্থাপনা হলে প্রথমে ওই জায়গার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জরিমানা

কৃষিঋণ বিতরণ চুক্তিতে জনবল নিয়োগের নির্দেশ

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩
  • ২৪১ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কৃষিঋণ বিতরণ কার্যক্রমে গতি আনতে চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী জনবল নিয়োগ দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, এমএফআই ও লিংকেজের মাধ্যমে কৃষিঋণ বিতরণ কার্যক্রম ক্রমান্বয়ে কমিয়ে এনে ব্যাংকের নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ বাড়াতে হবে। সে জন্য ক্ষুদ্রঋণ বিতরণে অভিজ্ঞদের সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।

‘অ্যাগ্রি ক্রেডিট সুপারভাইজার’ পদে (চুক্তিভিত্তিক) নিয়োগ দেওয়ার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো বা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির তালিকাভুক্ত-অনুমোদনপ্রাপ্ত এনিজিও-এমএফাই এ ন্যূনতম ৩ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে প্রার্থীদের। বয়স সীমা ২৫ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ বছরের মধ্যে থাকতে হবে জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগের পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তরা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবেন না।

শিক্ষাগত যোগ্যতায় প্রার্থীকে ন্যূনতম স্নাতক হতে হবে। কোনো এনজিও বা এমএফআই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রার্থী কখনো বরখাস্ত হননি, তা নিয়োগকারী ব্যাংককে নিশ্চিত হতে হবে। প্রতি বছর ব্যাংকগুলোকে কৃষিঋণ বিতরণে একটি লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কোনো ব্যাংক কোনো বছরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে ব্যর্থ হলে অর্জিত না হওয়া অংশের অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ে নেয়।

পরবর্তী বছরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলে ব্যাংকগুলো ওই অর্থ ফেরত পায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে এই সময়ে থাকা অর্থের বিপরীতে কোনো প্রকার লভ্যাংশ পায় না বাণিজ্যিক ব্যাংক।

কৃষিঋণ বিতরণে ব্যাংকারদের অনাগ্রহ ছিল সবসময়। সে কারণে কৃষিঋণ কার্যক্রমে গতি আনতে তৃতীয় কোনো প্রতিষ্ঠান, এনজিও বা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ সংস্থার মাধ্যমেও বিতরণ করতে ব্যাংকগুলোকে সুযোগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :