1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক মানিকগঞ্জে মানবপাচার প্রতিরোধে লিগ্যাল এইড কমিটির বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এবার ঈদে অব্যবস্থাপনা হলে প্রথমে ওই জায়গার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জরিমানা

মানিকগঞ্জে ক্লুলেস ডাকাতি মামলার আসামিরা দেড় বছর পর গ্রেফতার

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৪৩ বার পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্ত্রীর গর্ভের সন্তান পৃথিবীতে আনার জন্য অর্থের অভাবে ডাকাতির পথ বেঁছে নেন ফরিদপুরের জাহিদ মোল্লা। দেড় বছর আগে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে একটি ক্লুলেস ডাকাতি মামলার আসামি হয়ে রোববার গ্রেপ্তার হন জাহিদ ও তার সহযোগী বাবু কবিরাজ।

সোমবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই  মানিকগঞ্জ  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  এম , কে , এইচ , জাহাঙ্গীর হোসেন জানান,  ২০২২ সালে ৬ মার্চে রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল ঁেঢকি দিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে সিংগাইর উপজেলার চাকুলিয়া গ্রামে আরিফ মোল্লার বাড়িতে ডাকাতি করে । ডাকাতরা লুট করে ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ও কানে থাকা ৮ আনা ওজনের দুই জোড়া কানের স্বর্ণের দুল  ,দুইটি মোবাইল ফোন । এই ঘটনায় ক্লুলেস বিহিন একটি ডাকাতি মামলা হয় সিংগাইর থানায়। পুলিশ মামলাটির তদন্ত করার সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর নির্দেশে পিবিআই মানিকগঞ্জ  মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব নেন। মামলটি তদন্ত করেন পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক আশরাফুজ্জামান পরবর্তীতে আশরাফুজ্জামানের বদলিজনিত কারণে এসআই ( নিঃ ) হিরণ চন্দ্র মজুমদার মামলাটি তদন্ত করেন।

যে কারণে ডাকাতি করেন জাহিদ: আসামীদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদি পর্যালোচনায় পিবিআই জানান, আসামী জাহিদের স্ত্রী গর্ভবতী থাকা কালীণ স্ত্রীর চিকিৎসা জনিত ব্যায় ভার বহণে হিমশিম খাচ্ছিলেন । স্ত্রীর ডেলিভারির খরচ ও অন্যান্য খরচ যোগানোর জন্য আসামী জাহিদ ডাকাতির পরিকল্পনা করে । পর্যায়ক্রমে সে অন্যান্য ডাকাতদেরকে সংগঠিত করে , ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করে এবং ডাকাতি সংগঠিত করে । সেই থেকে শুরু পরবর্তীতে আসামী জাহিদ একটি অটো বাইক কিনে মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানা এলাকাসহ ঢাকা জেলার সাভার , কেরানীগঞ্জ এবং নবাবগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া থাকে এবং অটো চালানোর অজুহাতে কোথায় কোথায় ডাকাতি করা যায়। জাহিদের পরিকল্পনায় ফরিদপুর জেলা থেকে অন্যান্য ডাকাতদের ডেকে এনে ডাকাতি কার্য পরিচালনা করে জাহিদ পেশাদার ডাকাতে পরিনত হয় ।

ডাকাতির বিবরণ: গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসবাদে পিআইবি জানতে পারেন  আসামী জাহিদ মোল্লা দীর্ঘদিন যাবৎ বাড়ির বাইরে থাকলেও ফরিদপুর জেলায় তার পরিচিত অনেক লোকজন রয়েছে । ঘটনার দিন সকালে আসামী জাহিদ তার শ্বশুর বাড়ির পাশে অবস্থিত তার পরিচিত ডাকাত কুরবান বেপারী ও আসামী বাবু কবিরাজকে ফোনে ডাকাতি করার প্রস্তাব দেয়।  তারা জাহিদের প্রস্তাবে রাজী হয় । মোবাইলে যোগাযোগ করে আসামী জাহিদ মোল্লার কথা মোতাবেক ওই দিন দোহার উপজেরার মৈনট ঘাটে আসে কুরবান বেপারী ও বাবু কবিরাজ । সন্ধ্যার পর বান্দুরা বাজারে একত্রি হয় কুরবান বেপারী ,বাবু কবিরাজ  জাহিদ, জাহিদের ভায়রা বাদশা, জাহিদের শ্যালক রেজাউল, রাকিব ও ছোট বাবু। পরে তারা পরিকল্পনা অনুযায়ি ডাকাতি করে পালিয়ে যায়।

তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য: মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ( নিঃ ) হিরন চন্দ্র মজুমদার জানায় , অত্র মামলার ডাকাত দলের সদস্যরা অত্যন্ত চতুর । তারা তাদের নিজেদের নামে কোন মোবাইল ও সিম ব্যবহার করে না । ডাকাত জাহিদ দীর্ঘদিন যাবত মানিকগঞ্জ ভাড়া বাসায় বসবাস করলেও মানিকগঞ্জ এর কোন লোকের সাথে মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে না । জাহিদ যে বাড়িতে ভাড়া থাকে সেই বাড়ির মালিককে তার কোন ভোটার আইডি কার্ড দেয়নি। কোন বাড়ির মালিক যদি ভোটার আইডি কার্ডের জন্য চাপ দিতো তাহলে জাহিদ অন্য বাড়ি ভাড়া নিতো। দীর্ঘদিন প্রচেষ্টার পর ক্লুলেস বিহীন এই ডাকাতি মামলার আসামি জাহিদকে (৪২) রোববার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক অন্যান্য ডাকাতদের শনাক্ত ও ফরিদপুর থেকে বাবু কবিরাজকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। জাহিদের দেওয়া তথ্য মোতাবেক ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত টর্চ লাইট , চাকু  ও ডাকাতি হওয়ার মোবাইল সেটটি তার ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়।  সোমবার দুপুরে জাহিদ ও বাবু করিরাজকে আদালতে পাঠানো হয়েছে সেই সাথে তারা ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিতে রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :