1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক মানিকগঞ্জে মানবপাচার প্রতিরোধে লিগ্যাল এইড কমিটির বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এবার ঈদে অব্যবস্থাপনা হলে প্রথমে ওই জায়গার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জরিমানা

চাঁপাই নবাবগঞ্জে এখনো চলছে অবৈধ ইটভাটা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩
  • ২২৯ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: আম ও কৃষিপণ্যের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা চাঁপাই নবাবগঞ্জে গত কয়েক বছরে গড়ে উঠেছে শতাধিক ইটভাটা। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ইট তৈরির কার্যক্রম। যেখানে ব্যবহার হচ্ছে কৃষিজমি ও নদী তীরের মাটি। অবৈধ ইটভাটাগুলো ধীরে ধীরে ধ্বংস করছে বেঁচে থাকার পরিবেশ। ইটভাটার চিমনি দিয়ে বের হওয়া কালো ধোঁয়ার প্রভাব পড়ছে জনজীবনসহ গাছ ও কৃষিতে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রশাসন ও প্রভাবশালীদেরকে ম্যানেজ করে চাঁপাই নবাবগঞ্জের অবৈধ ইটভাটাগুলোর কার‌্যক্রম চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।  নামসর্বস্ব কিছু গণমাধ্যমকর্মীরাও নিয়মিত চাঁদা নেন ইটভাটা থেকে। সম্প্রতি কোনো প্রমাণপত্র ছাড়াই চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শতাধিক ইটভাটার প্রতিটি থেকে ১ থেকে দেড় লাখ টাকার বেশি চাঁদা উত্তোলন করছে একটি মহল।সকলকে ম্যানেজ করার জন্যই এসব টাকা তোলা হয়।

ইটভাটার মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিয়মিত চাঁদার বাইরেও স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দিবস পালনসহ নানা উদ্যোগের জন্য চাঁদা দিতে হয় তাদেরকে

১লা মার্চ বায়ুদূষণ রোধে অবৈধ ইটভাটা বন্ধে অভিযান চালানোসহ দ্রুত পদক্ষেপ নিতে দেশের সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন উচ্চ আদালতের সেই আদেশ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে এখনও চলছে পরিবেশ বিধ্বংসী ইটভাটা।

আইন অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে লাইসেন্স গ্রহণ ছাড়া ইটভাটা স্থাপন, পরিচালনা কিংবা চালু করা যাবে না। তবে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীনে ইস্যু করা পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া ইটভাটার লাইসেন্সের জন্য কোনো আবেদন করা যাবে না। আবাসিক, সংরক্ষিত ও বাণিজ্যিক এলাকা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা উপজেলা সদর ও কৃষিজমিতে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না। তবে চাঁপাই নবাবগঞ্জের আশপাশ ঘুরে বসতবাড়ির খুব কাছে ও আবাদি জমিতে অনেক ইটভাটা দেখা গেছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ১১২টি ইটভাটা রয়েছে। যার একটিরও পরিবেশ অধিদপ্তরের হালনাগাদ ছাড়পত্র নেই।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. পলাশ সরকার বলেন, নিয়ম অনুযায়ী তিন ফসলী জমিতে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না। সেক্ষেত্রে এক ফসলী জমিতে ইটভাটা স্থাপন করতে কৃষি বিভাগের প্রত্যয়নপত্র প্রয়োজন হয়। কিন্তু গত ৬ মাসে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চাঁপাই নবাবগঞ্জ কার্যালয়ে এমন কোনো আবেদন আসেনি। ইটভাটার সার্বিক অনুমোদনের বিষয়টি মূলত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেই দেখভাল করা হয়।

হাইকোট ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরও কিভাবে নিবন্ধনহীন ইটভাটাগুলো চলছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রওশন আলী বলেন, অনেকগুলো ইটভাটার কাগজ (লাইসেন্স) আছে। যদি সুনির্দিষ্ট কোন ইটভাটার কাগজ না থাকে সেই তথ্য তাকে (ইউএনও) অথবা ডিসি অফিসে জানালে ব্যবস্থা নেবেন। সুত্র: মানবজমিন

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :