1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বেঞ্চ ফাঁকা, শিক্ষক একা, বিপন্ন গ্রামীণ বিজ্ঞান শিক্ষা শিবালয়ে মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ৮ , ভ্রাম্যমান আদালতে শাস্তি ৭ আমি নিজেও নদী ভাঙ্গা মানুষ, ভাঙন কবলিত মানুষের যন্ত্রণা আমার অন্তরে রয়ে গেছে: জিন্নাহ কবীর এমপি শিবালয়ে মাদক ব্যাবসায়ীসহ বিভিন্ন মামলায় ৭ জন আটক বর্ষা শুরুর আগেই নদী ভাঙন , চিন্তিত শিবালয়ের যমুনা পাড়ের মানুষ শিবালয়ে হেরোইনসহ আটক ১ শিবালয়ে সাংবাদিকের বাসায় মাদক ব্যাবসায়ীর হামলা মানিকগঞ্জে মাটি খেকোদের থাবা থেকে ফসলি জমি রক্ষায় কৃষকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ  শিবালয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা, আটক ৩ মানিকগঞ্জে শেষ হলো ‘শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন শীর্ষক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা 

শিশু হামের টিকা পেয়েছে কিনা তা জানার উপায়

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৯ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত রোগের নাম হাম। এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে শিশুদের জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, রক্তবর্ণের চোখ এবং সারা শরীরে লালচে দাগ দেখা দেওয়াসহ ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।

এই রোগের জটিলতা হলো পরবর্তী সময়ে প্রায়ই নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া চোখে সমস্যা হতে পারে। শিশুরা হামে আক্রান্ত হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। টিকা নিয়ে এই রোগ থেকে নিরাপদ থাকা যায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. লুৎফুন্নেসা এক গণমাধ্যমকে জানান, হামের টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার হার ৯০ শতাংশের বেশি হলেও দ্বিতীয় ডোজের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের শিথিলতা দেখা যায়। অনেকে ৯ মাস বয়সে প্রথম ডোজ দেওয়ার পর ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কথা ভুলে যান বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

জানা গেছে, বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচিতে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের দুবার ‘এমআর’ (মিজলস রুবেলা) টিকা দেওয়া হয়। একবার ৯ মাস বয়সে আর দ্বিতীয়টি ১৫ মাস বয়সে। এই দুই ডোজ টিকা নিলে সারা জীবনের জন্য হাম থেকে মুক্ত থাকা যায়। টিকা কার্ডে সবার নিচে এমআর সারিতে দুই ডোজ হামের টিকা দেওয়ার তারিখ উল্লেখ থাকবে।

শিশু কোন কোন রোগের টিকা পাচ্ছে সেই তথ্য টিকা কার্ডে উল্লেখ করে দেওয়া হয়। হামের টিকার নাম ‘এমআর’। কার্ডে থাকা টেবিলে টিকার নামের পাশে আরেকটি কলামে টিকা প্রদানের তারিখ থাকে। এভাবে দুই কলামে ৬ মাস ও ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ এমআর টিকা দেওয়ার তারিখ উল্লেখ থাকবে। এই তারিখ দেখেই বোঝা যাবে আপনার শিশু দুই ডোজ হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে কি না।

শিশুকে সুস্থ রাখতে জন্মের পরপরই যক্ষ্মা প্রতিরোধের জন্য বিসিজি টিকার একটি ডোজ দেওয়া হয়। এরপর শিশুর বয়স যখন ৬ সপ্তাহ, ১০ সপ্তাহ এবং ১৪ সপ্তাহ হয়, তখন প্রতিবার তিনটি করে টিকার ডোজ দিতে হয়। এগুলো হলো— ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টঙ্কার, হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি প্রতিরোধের জন্য পাঁচটি রোগের সমন্বিত পেন্টাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন; নিউমোকক্কাল জনিত নিউমোনিয়া প্রতিরোধের জন্য পিসিভি ভ্যাকসিন এবং পোলিও প্রতিরোধের জন্য মুখে খাওয়ার বি ওপিভি (দুই ফোঁটা)।

এই পেন্টাভ্যালেন্ট, পিসিভি এবং ওপিভি—এই তিনটি ভ্যাকসিনের প্রতিটির তিনটি করে ডোজ দিতে হয় এবং প্রতিটি ডোজের মাঝখানে ৪ সপ্তাহের বিরতি রাখতে হয় বলেও জানা গেছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :