1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বেঞ্চ ফাঁকা, শিক্ষক একা, বিপন্ন গ্রামীণ বিজ্ঞান শিক্ষা শিবালয়ে মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ৮ , ভ্রাম্যমান আদালতে শাস্তি ৭ আমি নিজেও নদী ভাঙ্গা মানুষ, ভাঙন কবলিত মানুষের যন্ত্রণা আমার অন্তরে রয়ে গেছে: জিন্নাহ কবীর এমপি শিবালয়ে মাদক ব্যাবসায়ীসহ বিভিন্ন মামলায় ৭ জন আটক বর্ষা শুরুর আগেই নদী ভাঙন , চিন্তিত শিবালয়ের যমুনা পাড়ের মানুষ শিবালয়ে হেরোইনসহ আটক ১ শিবালয়ে সাংবাদিকের বাসায় মাদক ব্যাবসায়ীর হামলা মানিকগঞ্জে মাটি খেকোদের থাবা থেকে ফসলি জমি রক্ষায় কৃষকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ  শিবালয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা, আটক ৩ মানিকগঞ্জে শেষ হলো ‘শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন শীর্ষক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা 

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ পার্বত্য এলাকায় ১১ লাখ মানুষ পানিবন্দি

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৩
  • ২২৩ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: চলতি মাসের শুরু থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় রেকর্ড বৃষ্টিপাতের কারণে হঠাৎ বন্যা ও শহরে তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম।

তার পরেই রয়েছে যথাক্রমে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি। এ ছাড়া ফেনীতেও বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ পর্যন্ত প্রায় ১১ লাখ মানুষ বন্যাকবলিত হয়েছে। এর মধ্যে রোহিঙ্গা শিবিরের ২৫ হাজার বাসিন্দাও রয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষদের জন্য সরকারি ত্রাণ ভান্ডার থেকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের (এনডিআরআরসিসি) দুর্যোগ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছয়টি জেলা। ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকে চট্টগ্রামের পরেই রয়েছে যথাক্রমে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও ফেনী।

জেলা প্রশাসন থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পত্রে জানানো হয় অতিবর্ষণের ফলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকাসহ চট্টগ্রাম জেলার ১৪টি উপজেলা ও ১৬২টি ইউনিয়নে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে বেশ কিছু রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। জেলায় বর্তমানে ২ লাখ ৩ হাজার ৭২টি পরিবার পানিবন্দি এবং পানিবন্দি লোকসংখ্যা ৮ লাখ ৪৩ হাজার ৫০৫ জন। এ জেলায় ৭৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে ৭ হাজার ৫১৩ জন লোক এবং ৫১৩টি গবাদিপশু আশ্রয় গ্রহণ করেছে।

কক্সবাজার জেলায় উপদ্রুত উপজেলার সংখ্যা ৮টি, পানিবন্দি পরিবার সংখ্যা ৫৪ হাজার ৫০টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ২ লাখ ২০ হাজার ২৭০ জন। জেলায় ১৫৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বর্তমানে ২৮ হাজার ৩৭০ জন লোক ও ৫৭০টি গবাদিপশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

বান্দরবান জেলার ৭টি উপজেলার ৩৪ ইউনিয়নে জলাবদ্ধতার কারণে ২০৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং সেখানে ৮ হাজার ৫০০ জন লোক আশ্রয় নিয়েছে। রাঙামাটি জেলায় অতিবর্ষণের কারণে ৪৬টি স্থানে ক্ষুদ্র পরিসরে পাহাড়ধসের সৃষ্টি হয়েছে। ৪৬টি ঘর ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১টি ঘরও রয়েছে। ২টি ব্রিজ-কালভার্ট ও বিভিন্ন স্থানে পাকা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৩টি বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এ জেলায় ২৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ১৯১ জন লোক অবস্থান করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় খাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট তাৎক্ষণিকভাবে যান চলাচলের উপযোগী করে যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে। সব দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে, ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এবং স্বেচ্ছাসেকবদের সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর বরইয়া এবং উত্তর দরতপুরে অবস্থিত মুহুরী নদীর বাঁধ ভেঙে উত্তর বরইয়া, দক্ষিণ বরইয়া, বিজয়পুর, পূর্ব ঘনিয়ামোড়া, দক্ষিণ শ্রীপুর (সদর বাজার) প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত এ এলাকায় প্রায় ৫০০টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। পরশুরাম উপজেলায় চিখালিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম এলাকায় অবস্থিত মুহুরী নদীর আংশিক বাঁধ ভেঙে নোয়াপুর, পশ্চিম অলকা, ধনিকুণ্ডা গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত এ এলাকায় প্রায় ৪০০টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। উল্লেখ্য, জলমগ্ন এ এলাকায় প্রায় ৫০০ হেক্টর ফসলি জমি ও ৩০ হেক্টর সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আমরা প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছি। আমাদের আরও খাদ্য ও ত্রাণসহায়তা প্রস্তুত আছে। তিনি বলেন, মাঠ প্রশাসন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা দিতে কাজ করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেনা ও নৌবাহিনী মোতায়েন করায় তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দুর্গত এলাকার মানুষকে উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়েছে। সেখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চলমান। তিনি বলেন, পানি কমতে শুরু করেছে। নতুন করে আর বন্যার আশঙ্কা নেই।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :