
অনলাইন ডেস্ক: নদ-নদী ও হাওরের পানি বাড়লেও ভৈরবের মৎস্য আড়তে দেশীয় মাছের আমদানি কম। তবে দেশীয় মাছের দামও বেড়েছে দ্বিগুণ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভৈরবের পুলতাকান্দা মৎস্য আড়তে গিয়ে দেখা যায়- হাওর অঞ্চলের মিঠাপানির মাছের আমদানি খুবই। শুধু মাত্র কয়েক জাতের মিঠাপানির বোয়াল, আইড়, বাইম মাছ ঢালায় বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে। তবে আড়তে পুকুরের চাষকৃত রুই, কাতলা, টেংরা, চিংড়ি, শিং, কই মাছের বেশী আমদানি রয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত ক্রেতা ও পাইকাররা আড়তে মাছ কিনতে ভিড় করছেন। আড়তগুলোতে দেশীয় মাছের আমদানি কম থাকায় পুকুরের চাষের মাছ কিনছেন তারা।
অন্যান্য বছরের এই সময়ে বর্ষার আগমনের নদ-নদী ও হাওরে দেশীয় মাছের বেশ আমদানি থাকে। কিন্ত এই বছর বর্ষার পানি একটু দেরিতে আসায় নদীতে মাছের দেখা পাচ্ছে না জেলেরা। ভৈরব মৎস্য আড়ৎ থেকে প্রতিদিনই দেশের রাজধানীসহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রির জন্য মিঠা পানির মাছ পাইকাররা সংগ্রহ করে বিক্রির জন্য নিয়ে যায়।
ভৈরবের সেভেন স্টার মৎস্য আড়তের মালিক আমির হোসেন বলেন, এখন তো শুধু নদীতে নতুন পানি আসছে। কিছু দিন পর পুরোপুরি দেশীয় মাছের আমদানি হবে। এখন কিছু পরিমাণ দেশীয় মাছ আড়তে আসছে কিন্তু সেসব মাছের দাম কিছুটা বেশী। যদি মাছের আমদানি বেশী থাকতো তাহলে আড়তে মাছের দাম কম হতো।
মৎস্য আড়তের আলিফ এন্টারপ্রাইজের মৎস্য ব্যবসায়ী বাবু মিয়া বলেন, এই বছর হাওরে দেরীতে পানি আসায় নদ-নদীতে মাছ তেমন ধরা পড়েনি। যার ফলে আড়তে দেশীয় মাছের আমদানি কম।
মৎস্য ব্যবসায়ী অপু মিয়া বলেন, আড়তে নদীর মাছটা এখন কম। শুধু দেশী চিংড়ি, গুলশা, পাবদা, কাজলি মাছ আসছে। অন্য মাছের আমদানি অনেক কম। পাশাপাশি পুকুরের চাষের মাছের আমদানি বেশী রয়েছে। এখন চাষের মাছই বাজার ধরে রেখেছে। মাস দুয়েক পর আশ্বিন-কার্তিক মাসের দিকে পুরোদমে দেশীয় প্রজাতির মিঠাপানির মাছের আমদানি বাড়বে।
Leave a Reply