1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক মানিকগঞ্জে মানবপাচার প্রতিরোধে লিগ্যাল এইড কমিটির বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এবার ঈদে অব্যবস্থাপনা হলে প্রথমে ওই জায়গার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জরিমানা নদী ভাঙন থেকে রক্ষায় সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বেঞ্চ ফাঁকা, শিক্ষক একা, বিপন্ন গ্রামীণ বিজ্ঞান শিক্ষা শিবালয়ে মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ৮ , ভ্রাম্যমান আদালতে শাস্তি ৭ আমি নিজেও নদী ভাঙ্গা মানুষ, ভাঙন কবলিত মানুষের যন্ত্রণা আমার অন্তরে রয়ে গেছে: জিন্নাহ কবীর এমপি শিবালয়ে মাদক ব্যাবসায়ীসহ বিভিন্ন মামলায় ৭ জন আটক

স্বাগতিক শিবিরে বাজছে আক্ষেপের সুর

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০২৩
  • ২৫৮ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: নাজমুল হোসেন শান্তর বলটিকে সীমানাছাড়া করে ম্যাচের ইতি টানলেন সেঞ্চুরিয়ান ডেভিড মালান। হাতে ছিল আট বল। কেউ যদি এটুকুতেই বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড সিরিজের প্রথম ওয়ানডেটাকে বিচার করেন, তাহলে বড় ভুলই করবেন। যারা ম্যাচটা দেখেছেন, তারা জানেন একটু এদিক-সেদিক হলেই উল্টে যেতে পারত ম্যাচের ফল। ইংল্যান্ড নয়, জয়টা জমা হতো বাংলাদেশের ঝুলিতে।

২০৯ রানের মামুলি পুঁজি নিয়েও ম্যাচটাকে ৪৮.৪ ওভার পর্যন্ত জিইয়ে রেখেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। সেঞ্চুরিয়ান মালান ছাড়া অতিথি শিবিরের আর কেউ এদিন মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি তাইজুল-মিরাজ-তাসকিনদের সামনে। ১০৩ রানে যখন পাঁচ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড, জয়ের পাল্লাটা তো তখন হেলে ছিল টাইগারদের দিকেই। কিন্তু কিছু জায়গায় ঘাটতির কারণে শেষতক জেতা হয়নি। স্বাগতিক শিবিরে তাই বাজছে আক্ষেপের সুর।

মূল ঘাটতিটা ছিল ব্যাটিংয়ে। শুরুটা ছিল আশাজাগানিয়া, কিন্তু শেষটা ছিল হতাশার। দলপতি তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং শান্তর ব্যাটে ৪ উইকেটে যখন ১৫৯ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ, তখনও ইনিংসের ৮৫ বল বাকি। সেখান থেকে দল ২৪০-৫০ রান করবে, এটাই ছিল প্রত্যাশা। কিন্তু ৫৮ রান করা শান্ত বিদায় নিতেই মড়ক লাগে ব্যাটিংয়ে। ৫০ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ। এই রানটাকে পুঁজি করেও দারুণভাবে লড়াই জমিয়ে তোলেন বোলাররা, কিন্তু পেরে ওঠেননি।

ম্যাচ শেষে শান্তর কণ্ঠে তাই শোনা গেল আরও কিছু রান না করতে পারার আক্ষেপ, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে, আমরা যখন ইনিংস শেষ করি, অবশ্যই ২০-৩০ রান কম ছিলাম। তবে যেভাবে আমরা বোলিং শুরু করি, ১০০ রানে (আসলে ১০৩) ৫ উইকেট (তুলে নিয়ে) আমরা ভালোভাবেই লড়াইয়ে ফিরেছিলাম। ২৫-৩০ রান কম করার পরও বোলিংয়ে আমরা কামব্যাক করেছিলাম। শেষটা ভালো হলে হয়তো আমরা ম্যাচটা জিততাম।’ শান্ত দায় নিলেন নিজের কাঁধেও, ‘এই ম্যাচে অনেক ভুল ছিল আমার। আমি যদি ইনিংসটাকে বড় করতে পারতাম, তাহলে হয়তো ২৪০-২৫০ রান আমরা করতে পারতাম।’

শুরুর দিকে উইকেট থেকে কিছুটা সহায়তা পেয়েছেন ব্যাটাররা। মূলত এ কারণেই টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাট করা কঠিন হয়ে পড়ে। শান্ত জানালেন, সে কারণেই ছন্দ হারায় টাইগারদের ব্যাটিং, ‘ব্যাটিংয়ে আমরা ৩০ ওভারের পর তিনটা ব্যাক টু ব্যাক উইকেট দিয়েছি, যেখান থেকে আমরা ফিরে আসতে পারিনি। কিন্তু আমরা যে রানটা করেছিলাম এবং বোলিংটা যেভাবে শুরু করেছিলাম, ওই রানটাকে ডিফেন্ড করার মতো অবস্থায় চলে গিয়েছিলাম। কারণ ১০৩ রানে পাঁচ উইকেট, তখনও তাদের অনেক রান লাগত। সুতরাং আমাদের বোলিং আক্রমণ এবং উইকেটটা যে রকম ছিল, আমার মনে হয়, সেখান থেকে ম্যাচটা জেতা সম্ভব ছিল। যেভাবেই হোক তা হয়নি।’

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :