
অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে চূড়ান্ত হয়েছে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর নাম। ১৩৫টি আসনে জিতে কর্ণাটকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেও দুই হেভিওয়েট নেতার মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে লড়াইয়ে অস্বস্তিতে পড়েছিল কংগ্রেস শিবির। অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে গতকাল দুপুর ১২টা নাগাদ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হলো কর্ণাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম।
দলের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল জানিয়ে দেন যে ‘সিদ্দারামাইয়া’ আগামী শনিবার কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। তার ডেপুটি হিসেবে সেদিন শপথ নেবেন কর্ণাটকের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমার। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত শিবকুমার কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতিও থাকবেন বলে জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ মে) এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত রোববার গোপন ব্যালটে বিধায়কদের থেকে যে মত নেওয়া হয়েছিল, তাতে এগিয়ে ছিলেন সিদ্দারামাইয়া। তার ভিত্তিতেই সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকেই ফের একবার গদিতে বসাচ্ছেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও বর্তমান রাজ্যসভার বিরোধী দলের নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন সিদ্দারামাইয়া। এদিন তার ডেপুটি হিসেবে শপথ নেবেন শিবকুমার।
এর আগে রাজস্থান, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়ে মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিয়ে কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছিল। পাঞ্জাব ও মধ্য প্রদেশের মতো রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সরকার হারাতে হয়েছে কংগ্রেসকে। পাঞ্জাবে দল ছন্নছাড়া হয়ে পড়ায় ভোটে ভরাডুবি হয়। আর মধ্য প্রদেশে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলে মাঝপথেই কংগ্রেস সরকার পড়ে যায়। এবার কর্ণাটকেও একই পরিস্থিতি হয় কি না, সেদিকে নজর দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
Leave a Reply