
নিজস্ব প্রতিবেদক:বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মানিকগঞ্জে আয়োজিত কাঙালিভোজের খিচুড়ি পুলিশ নিয়ে গেছে। শুক্রবার গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাবেক এমপি মফিজুল ইসলাম খান কামালের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। যোগাযোগ করা হলে মফিজুল ইসলাম খান বলেন, ‘একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী পালন করার অধিকার আমার আছে। কিন্তু পুলিশ এসে আমাকে বাধা দিয়েছে।
মফিজুল ইসলাম খান কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধু আওয়ামীলীগের একক কোনো সম্পতি নয়। তিনি জাতির জনক। তার শাহাদৎ বাষিকী করা যাবে না, সরকার থেকে এরকম কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জাতির জনকের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন করার স্বাধীনতা আছে আমার। বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বাষিকী উপলক্ষে শুক্রবার সকালে তার নিজ বাসায় কালো পতাকা উত্তোলন, কুরান খানি ও আলোচনা সভা হয়। দুপুরে দোয়া মাহফিলের জন্য একডেক খিচুরী রান্না করা হচ্ছিল। এসময় মানিকগঞ্জ সদর থানার পুলিশ এসে পানি দিয়ে রান্না করার আগুন নিভিয়ে দেন। পরে পুলিশকে অনুরোধ করে খাবার রান্না করা হয়। এর পর পুলিশ ওই রান্না করা খাবার নিয়ে যান।
মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম আমানউল্লাহ বলেন, উপরের নির্দেশ রয়েছে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন না করার। এই কারণে মফিজুল ইসলাম খান কামালের বাড়িতে শাহাদাৎ বার্ষিকী অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই রান্না করার খাবার পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
এদিকে শুক্রবার বিকেল ৪ টার দিকে মফিজুল ইসলাম খান কামাল তার ফেসবুকে পেইজে স্ট্যাটার্সে খিলেন- ১৫ আগস্ট “ জাতীয় শোক দিবস-২০২৫” নৈতিক দায়িত্ব থেকে আমি আজকে দিন পালন করার চেস্টা করেছি। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন । সকালে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। হয়েছে কোরআন খতম ও দেয়া মাহফিল। আয়োজন ছিলে কাঙ্গালী ভোজের। বাকীটা—- ইতিহাস।
Leave a Reply