1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা শিবালয়ে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে গেল বাস ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক

স্বৈরাচার সীমান্তের ওপারে বসে নতুন নতুন ষড়যন্ত্র করছে : ফখরুল

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৪৩ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: সীমান্তের ওপারে বসে স্বৈরাচার নতুন নতুন ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ঢাকার ঠাকুরগাঁও ছাত্র পরিষদের ছাত্র কনভেনশন-২০২৪ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, তোমাদের প্রতি একটাই অনুরোধ যে, আমরা যেটা অর্জন করেছি সেটা যেন বৃথা না যায়। সীমান্তের ওপারে ফ্যাসিস্ট বসে আছে। সেখান থেকে নতুন নতুন চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। প্রতি মুহূর্তে তারা একেকটা ঘটনা ঘটিয়ে ফলাও করে বিশ্বে দেখাতে চায় যে, বাংলাদেশ নাকি মৌলবাদীর দেশ হয়ে গেছে, বাংলাদেশে নাকি সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ভারতের পত্র-পত্রিকাগুলোতে, সোশ্যাল মিডিয়াতে এমনভাবে লেখা হচ্ছে যেন বাংলাদেশে এখন এ ধরনের সব নিকৃষ্ট ঘটনা ঘটছে। আসলে তা না। কারা এগুলো করছে? কেন করছে? আমি এই কথাটা এজন্য বলছি যে, আমাদের আনন্দে থাকার অবকাশ নাই যে, আমরা জিতে গেছি, সব হয়ে গেছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের মাথার উপর সেই খড়গ এখনো আছে এবং চতুর্দিকে তারা চেষ্টা করছে আবার অন্ধকারে নিয়ে যাওয়ার। এজন্য খুব সজাগ থাকতে হবে, সর্তক থাকতে হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে যে অসাধারণ কাজ করেছো, দানবের থেকে দেশকে রক্ষা করেছো এটা ছোট কথা নয়। আমরা এখনো কিন্তু সে ক্রান্তি পার হয়নি, এখন একটা ধাপ গেছি। ছাত্ররা যখন বুক পেতে দিয়েছি, রক্ত ঝরিয়েছি তখনই মুক্তি এসেছে। আমি বার বারই বলি আমাদের মুক্তির ভ্যানগার্ড হচ্ছে ছাত্ররা।

মির্জা ফখরুল বলেন, এ আন্দোলনে সবার আগে ছাত্রদের নাম। তবে কতজন রিকশাচালক, শ্রমিক প্রাণ দিয়েছে তাদের খবর রাখি না। আমি পঙ্গু হাসপাতালে গিয়েছিলাম ছাত্রদের দেখতে। সেখানে গিয়ে দেখলাম প্রায় ৪০ শতাংশই শ্রমিক। তাদের খবর রাখাটাও আমাদের জন্য জরুরি।

তিনি বলেন, আমরা একেবাইরে জীবনের শেষ প্রান্তে, একটায় আশা ছিল যেন জীবদ্দশায় দেখে যেতে পারি দানবের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি। আমি আশঙ্কায় ছিলাম বেগম খালেদা জিয়া কি দেখে যেতে পারবেন দেশমুক্ত হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ তিনি দেখে যেতে পেরেছেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :