1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে দুই বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি’র সভাপতি হলেন মো.শহীদুর রহমান শিবালয়ে মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা শিবালয়ে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে গেল বাস ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব

ঢাকায় বসবাসকারী দরিদ্র মানুষের মধ্যে ৫১ শতাংশই নতুন

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ মে, ২০২৩
  • ১৯৪ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকায় বসবাসকারী দরিদ্র মানুষের ৫১ শতাংশ করোনাভাইরাস মহামারির সময় নতুন করে দরিদ্র হয়েছে। চাকরি ও ব্যবসা হারিয়ে তারা এই দুর্গতিতে পড়েছেন বলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণায় তথ্য উঠে এসেছে।

বুধবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে বিআইডিএস রিসার্স অ্যালমানাক ২০২৩ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে এই গবেষণার তথ্য প্রকাশ করেন সংস্থাটির মহাপরিচালক বিনায়ক সেন। সম্মেলনের উদ্বোধন অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। আরও উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম ও পরিকল্পনা বিভাগের সচিব সত্যজিৎ কর্মকার।

বিনায়ক সেন বলেন, করোনার সময় দারিদ্র্য বাড়লেও এটা ছিল সাময়িক। যা পরবর্তী সময়ে কমতে শুরু করে। এক পর্যায়ে স্বাভাবিকের জায়গায় চলে যায়। এ দরিদ্র কমার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেলফ ইমপ্লয়মেন্ট, স্থানান্তর, ফিন্যান্সিয়াল সেভিংস, অর্থাৎ সঞ্চয় ভেঙে খাওয়া এবং ডিজিটাল ইকোনমি।

তিনি বলেন, করোনাকালে ঢাকার অনেক শিশু স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে। নিম্নআয়ের পরিবারের মধ্যে সেই প্রবণতা বেশি। শহরাঞ্চলে সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা অল্প বিধায় এই জায়গায় বেশি নজর দিতে হবে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, করোনার শুরুর দিকে দারিদ্র্যের হার দ্বিগুণ ছিল। তবে ২০২২ সালের শুরুতে অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। ঢাকা শহরে কমে আসে দারিদ্র্য। ২০১৯ এবং ২০২২ সালের মধ্যে সামগ্রিক দারিদ্র্যের হার ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে চরম দরিদ্র পরিবারের অনুপাতও ৩ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে।

২ হাজার ৪৬টি খানার ওপর জরিপ করে বিআইডিএস এই গবেষণা করে। এতে উল্লেখ করা হয়, করোনার আগে অর্থাৎ ২০১৯ সালে দরিদ্র মানুষের মধ্যে আত্মকর্মসংস্থানের হার ছিল ৩৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। করোনার পর অর্থাৎ গত বছর তা বেড়ে ৩৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে অতিদরিদ্র মানুষের মধ্যে করোনার আগে আত্মকর্মসংস্থানের হার ছিল ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। করোনার পর বেড়ে ৩৩ দশমিক ২১ শতাংশে দাঁড়ায়।

এ ছাড়া ২০১৯ সালে দরিদ্র খানা বা পরিবারের মধ্যে ৩৯ দশমিক ২৯ শতাংশ এমএফএস ব্যবহার করত। করোনার পর অর্থাৎ ২০২২ সালে এটা বেড়ে ৭৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ হয়েছে। যদিও তাদের ব্যাংক হিসাব খোলার পরিমাণ খুব একটা বাড়েনি। করোনার আগে ৩২ দশমিক  ২২ শতাংশ পরিবারের ব্যাংক হিসাব ছিল। পরে বেড়ে হয়েছে ৩৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

অন্যদিকে অতিদরিদ্র পরিবারের মধ্যে এমএফএস ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। ২০১৯ সালে এসব পরিবারের মধ্যে ১৫ দশমিক ১৫ শতাংশ এমএফএস(মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস) ব্যবহার করত। করোনার পর বেড়ে ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ হয়েছে। এই ধরনের অতিদরিদ্র পরিবারের মধ্যে ব্যাংক হিসাব খোলার প্রবণতা বাড়েনি।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সম্পদ যখন সৃষ্টি হয় তখন বৈষম্য অবধারিত। বৈষম্য প্রশমনে আমরা কাজ করছি। তারই অংশ হিসেবে বয়স্ক ভাতা এবং বিধবা ভাতার মতো ভাতা দেওয়া হচ্ছে। তারা কাজ না করেও ভাতা পাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, সমতাভিত্তিক সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে বৈষম্য কমানো সম্ভব। আমরা সেটিই করার চেষ্টা করছি। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেন, আমরা যখন জিডিপির উচ্চ প্রবৃদ্ধির দিকে যাচ্ছিলাম তখনই কোভিড-১৯ এবং পরে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আঘাত এলো। দারিদ্র্য বিমোচনে যত প্রকল্প রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন এবং অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার বাস্তবায়নে মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ গ্রহণের ওপরও জোর দেন তিনি।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :