1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে দুই বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি’র সভাপতি হলেন মো.শহীদুর রহমান শিবালয়ে মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা শিবালয়ে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে গেল বাস ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব

হরিরামপুরে পদ্মার ভাঙ্গনে ৩০ মিনিটে নি:স্ব ১২টি পরিবার

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৫৪ বার পড়েছেন

মাহিদুল ইসলাম মাহি: মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে  ধূলসড়া  ইউনিয়নে ৩০ মিনিটে পদ্মা নদীর ভাঙনে ১২ টি বাড়ি, ধান, ভুট্টাসহ ৪ টি ঘর পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে।  ভাঙ্গন ঝুকিতে রয়েছে  স্কুলসহ অর্ধ শতাধিক বাড়িঘর।

সোমবার রাত নয়টার দিকে উপজেলার ধূলশুড়া ইউনিয়নের আবিধারা ও ইসলামপুর  এলাকায়  ভাঙনে নি:স্ব ১২ টি পরিবার। পদ্মায় বিলীনের পথে ৪৬ নং চর মকুন্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি’র একটি পিলার পদ্মায় বিলিন। ভাঙন রোধে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ইসলামপুর গ্রামের গৃহবধূ ময়না বেগম বলেন, তার সরিষা ৫ মন,  ৫০ মন ধান, ৪ মন তিল ও ভুট্টা সহ আমার ঘর পদ্মায়  বিলিন হয়ে গেছে।  ৩০-৪০ মিনিটে আমার সব নদীতে চলে গেছে। আমরা পথের ফকির হয়ে গেছি।

আবিধারা এলাকার হারুন ও সাগর জানান, আবিধারা ও ইসলামপুর গ্রামের লিটনের ঘর, বাদলের ঘর ৩ টা, রফিজ, কালামের বাড়ি, সেকেন্দার দোকান, শাহিনের বাড়ি, আফজাল বিশ্বাস, সিদ্দিক মেম্বারের বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে।  ১২ টি বাড়ির ঘর ও ধান, ভুট্টা, তিল পদ্মা গর্ভে চলে গেছে।

মোহনপুর  এলাকার সাগর বলেন,  স্থায়ী বেরি বাঁধ না হলে যা আছে সব শেষ হয়ে যাবে।

গৃহবধূ সালমা আক্তার বলেন, রাইতে ভূমিকম্পের মতো সব শেষ হইয়া গেছে। আমরা যাব কই ?

মো. মিলন জানান, আমার শশুর বাড়ির একটা ঘর গেছে।

কাঞ্চন বেপারি বলেন, আধা ঘন্টায় আমগো সব শেষ হইয়া গেছে। আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি, আমগো এমন দশা হইবো।

ধূলশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহেদ খান বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে ভূমিকম্প হচ্ছে। ৩০-৪০ মিনিটে ১২ টা বাড়ি শেষ। স্কুলটি যে কোন সময় শেষ হয়ে যাবে। গতকাল চোখের সামনে বাড়ি গুলো শেষ হতে দেখছি। সারা রাত পদ্মার পাড়ে ছিলাম।

হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ভারপ্রাপ্ত)  তাপসী রাবেয়া আমি ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে আছি। এডিসি জেনারেল স্যার ও আসছেন। পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এসেছিলেন। পানি উন্নয়ন বিভাগ কাজ করছেন।

মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী  মো. মাঈন উদ্দীন বলেন, সকাল থেকে স্পটে রয়েছি। এ এলাকায় পানি উন্নয়ন বিভাগ থেকে আপদকালীন সময়ে ১২০০ মিটার কাজ চলছে। হঠাৎ করেই গত রাতে কয়েকটি বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। জিও ব্যাগের পাশাপাশি, জিও টিউব ও ডাম্পিং শুরু করেছি। আশা করি ভাঙন রোধ হবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :