1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে দুই বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি’র সভাপতি হলেন মো.শহীদুর রহমান শিবালয়ে মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা শিবালয়ে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে গেল বাস ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব

আষাঢ়ের প্রথম দিন আজ

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০২৩
  • ২০০ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে বেশ কয়েক দিন আগে। এবার পঞ্জিকার পাতা ধরে বর্ষা হাজির হলো। আষাঢ়ের প্রথম দিন আজ।

বাংলা সাহিত্যের একটা বড় অংশই জুড়ে আছে বর্ষা। মহাকবি কালীদাস মেঘদূত কাব্যে পাঠককে মুগ্ধ করেছেন আষাঢ়ের রূপে। আষাঢ় শব্দে আছে স্বপ্নাবিষ্ট এক মোহমুগ্ধতা। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যের বড় অংশজুড়ে আছে বর্ষা। আষাঢ় কবিতায় তিনি আহ্বান করেছেন, ওগো আজ তোরা যাসনে ঘরের বাহিরে।

হুমায়ূন আহমেদ বলতেন, ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান’- কবিগুরুর এই একটি লাইন শুনলেই আমাদের মনে তীব্র আনন্দ এবং তীব্র ব্যথা বোধ হয়। কেন হয় তা আমরা নিজেরাও ঠিক জানি না।

তবে বর্ষার প্রথম মেঘের ডাকের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেশের কিছু মাছের মাথা খারাপ হয়ে যায়। তারা পানি ছেড়ে শুকনায় উঠে আসে। মাছটির নাম কই মাছ। আমাদের দেশে এ রকম ফুল আছে, যা শুধু বর্ষাকালেই ফোটে। পৃথিবীর আর কোনো ফুলের সঙ্গে এর মিল নেই। দেখতে সোনালি গোলাকার এই ফুলটির নাম কদম। যতদিন বর্ষা থাকবে, ততদিন এই ফুল থাকবে। বর্ষা শেষ, ফুলও শেষ।

বর্ষা ও তার অনুষঙ্গ নিয়ে আমাদের কত মিথ। বর্ষার প্রথম কদম ফুল যদি কোনো প্রেমিক তার প্রেমিকাকে দেয় তা হলে তাদের সম্পর্ক হয় বিষাদমাখা। কাজেই এই ফুল কেউ কাউকে দেয় না।

শহরের খুব কম মানুষের সঙ্গেই চাতকচাতকীর সঙ্গে পরিচয় আছে। তবে স্বপ্নজাগানো একটি গল্প সবাই জানে অদেখা ওই পাখি সম্পর্কে। পিপাসায় বুক ফেটে যেতে চায় চাতকের। দরকার তার ঠান্ডা জল। চারদিকে কত দীঘি, হ্রদ, সাগর। কত নদী সরোবর কিন্তু তাতে, কবি রামনিধি গুপ্ত প্রশ্ন করেছেন, ‘কিবা ফল চাতকীর?’

চাতকচাতকীর পিপাসা মেটে না পদ্মদীঘির জলে কিংবা ঝরনাধারায়, নদীর স্রোতে, সরোবরের টলটলে পানিতে। তার চাই মেঘগলা ঠান্ডা জল। চাতক-চাতকী ডাকে, ঠান্ডা মেঘ, কালো মেঘ, জল দাও। তোমার ধারাজল ছাড়া কিছুতেই যে পিপাসা মেটে না। একসময় নীল আকাশের কালো মেঘ গলে বৃষ্টি নামে। আকাশ থেকে রুপোর রেখার মতো নেমে আসা বৃষ্টির জল পান করে তৃষ্ণা মেটে চাতকের। চাতকীর। আর কোনো জলে, ওই নদীর, দীঘির, ঝরনার, সাগরের, সরোবরের জলে পিপাসা মেটে না তাদের।

আবহাওয়াবিদরা বলেন, বর্ষা মানে উৎস, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু গতি পেতে শুরু করবে। বাংলাদেশের ওপর পুবালি লঘুচাপ প্রভাব ফেলে। আবহাওয়ার ব্যাকরণ মেনেই এভাবেই শুরু হয় বর্ষার চিরাচরিত পথচলা। পঞ্জিকার বর্ষা চলে আসেছে। বর্ষা পথ ভুলে গেলে অসহ্য গরমে পুড়তে থাকে মানুষ ও প্রাণিকুল। বাংলার কৃষি ও অর্থনীতি বৃষ্টিনির্ভর। যথাযথ বৃষ্টিপাত ফসল ফলাতে সহায়তা করে। অন্যদিকে অনাবৃষ্টি ও খরায় কৃষি ভেঙে পড়ে। কৃষকরা আকুল হয়ে সুর তোলে, আল্লা মেগ দে, পানি দে।

শহরের একঘেয়ে যান্ত্রিক জীবনে বর্ষা কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলে। বৃষ্টি শহরের ধুলোবালিকে বশ করে। আষাঢ়ের প্রথম দিনে আমরা সবাই ওই চাতকচাতকীর মতো উষ্ণ হৃদয় লয়ে দাঁড়ায়ে আছি, বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি স্বাগত জানানোর অপেক্ষায়।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :