
অনলাইন ডেস্ক: ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হয় পরিবেশ দিবস। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম-ইউএনইপি) প্রতি বছর এই দিবসের আয়োজন করে থাকে। এবারের পরিবেশ দিবসে গুরুত্ব পাচ্ছে প্লাস্টিক দূষণের বিষয়টি। এই ধারার দূষণ কমিয়ে জলবায়ু সুরক্ষা নিশ্চিতের পথে হাঁটাকে এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য করা হয়েছে।
জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির হিসেবে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ৪০০ মিলিয়ন টনেরও বেশি প্লাস্টিক উৎপন্ন হয়। এর অর্ধেক শুধু একবার ব্যবহারের জন্য তৈরি। মোট প্লাস্টিকের ১০ শতাংশেরও কম পুনর্ব্যবহারযোগ্য। বছরে আনুমানিক ১৯-২৩ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক নদী-সমুদ্র কিংবা হ্রদে গিয়ে মেশে।
পৃথিবীর সুরক্ষা নিশ্চিতের তাগিদে ১৯৭৩ সাল থেকেই পরিবেশ দিবস পালন করে আসছে জাতিসংঘ। বিগত এই ৫০ বছরে জাতিসংঘের এ উদযাপনের পরিসরও যথেষ্ট বেড়েছে। এই বছর সরকার, ব্যবসা এবং সুশীল সমাজ প্লাস্টিক দূষণের সমাধান খুঁজতে বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে বেছে নিয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্লাস্টিক জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বাস্তুতন্ত্র, জীববৈচিত্র্য এবং মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ সেলসিয়াসে পৌঁছালে শত কোটি মানুষ জীবন-বিপন্নকারী মারাত্মক তাপমাত্রার হুমকির মুখে পড়তে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে এবং ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটারের হেলিক্স প্রকল্পের একদল আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীর গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। বৈশ্বিক উষ্ণতার সবচেয়ে প্রত্যক্ষ প্রভাব হচ্ছে তাপমাত্রা। বিগত দশকগুলোতে অনেক শহরেই তীব্র দাবদাহ শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞানীরা ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় আনার ব্যাপারে জোর দিচ্ছেন। অনেকে বলছেন, আগামী দশক হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। লন্ডন ইমপেরিয়াল কলেজের অধ্যাপক মারর্টিন সিগার্ট বলেন, ‘যত দেরী করবেন, ২০৫০ সালের মধ্যে শূন্য নিঃসরণে আসা তত কঠিন হবে।
Leave a Reply