1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা শিবালয়ে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে গেল বাস ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক

শকুন কমে যাওয়ার কারণে ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু!

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৯ জুলাই, ২০২৪
  • ৮৬৯ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: একসময় ভারতের সবখানে বিপুলসংখ্যক শকুন দেখা যেত। দুই দশকের বেশি আগে থেকে ভারতে বিপুলসংখ্যক শকুন মারা যেতে থাকে। এর কারণ ছিল অসুস্থ গরুর চিকিৎসায় এক ধরনের ওষুধের ব্যবহার। ওই ওষুধের প্রভাবেই মৃত গরু খেয়ে ৩ প্রজাতির শকুনের ৯০ ভাগের বেশি মারা গেছে। নতুন গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মৃত পশুর দেহাবশেষ খেয়ে বেঁচে থাকা এই পাখি কমে যাওয়ায় প্রাণঘাতী ব্যাকটেরিয়া ও নানা সংক্রমণ বেড়ে যায়; যা পাঁচ বছরে প্রায় অর্ধমিলিয়ন (পাঁচ লাখ) মানুষের মৃত্যুতে ভূমিকা রাখে। এ-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন আমেরিকান ইকোনমিক অ্যাসোসিয়েশন সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। খবর বিবিসির।

১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি ভারতে শকুনের সংখ্যা ছিল পাঁচ কোটি। তখন থেকেই আবার গবাদি পশুর চিকিৎসায় সস্তা নন-স্টেরয়েডাল ব্যথানাশক ‘ডাইক্লোফেনাক’ ব্যবহার শুরু হয়। এতে বিপুলসংখ্যক শকুন কমতে কমতে এসে দাঁড়ায় একরকম শূন্যের কোটায়। ওই ওষুধে চিকিৎসা করা পশুর মৃতদেহ খেয়ে অসুস্থ হওয়ার পর শকুনগুলো মারা যেতে থাকে। এ ঘটনায় ২০০৬ সালে গবাদি পশুর চিকিৎসায় ডাইক্লোফেনাকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে সরকার। এতে কিছু এলাকায় শকুন হ্রাস পাওয়ার প্রবণতা কমে। তবে স্টেট অব ইন্ডিয়া’স বার্ডসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ মেয়াদে শকুনের অন্তত তিনটি প্রজাতির ৯১ থেকে ৯৮ শতাংশ এ ওষুধের পরোক্ষ বিষক্রিয়ার শিকার হয়।

আমেরিকান ইকোনমিক অ্যাসোসিয়েশন সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণার সহরচয়িতা ও ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর হ্যারিস স্কুল অব পাবলিক পলিসির সহকারী অধ্যাপক ইয়েল ফ্রাঙ্ক বলেন, ‘শকুনকে প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে ধরা হয়। কেননা পরিবেশ থেকে নানা ক্ষতিকর উপাদান ও মৃত পশুর ব্যাকটেরিয়াবাহী দেহাবশেষ অপসারণে এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শকুন না থাকলে ছড়িয়ে পড়তে পারে রোগবালাই।’

ইয়েল ফ্রাঙ্ক আরও বলেন, ‘মানবস্বাস্থ্য রক্ষায় শকুনের ভূমিকা বন্য প্রাণী রক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে সামনে আনে। কেবল আকর্ষণীয় ও আদুরে প্রাণীই যে রক্ষা করা প্রয়োজন তা নয়; বরং সব বন্য প্রাণীই রক্ষা করতে হবে। আমাদের প্রতিবেশ ব্যবস্থায় সব প্রাণীরই ভূমিকা রয়েছে, যা আমাদের জীবনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে।’সুত্র:সময়ের আলো

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :