1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা, আটক ৩ মানিকগঞ্জে শেষ হলো ‘শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন শীর্ষক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  মার্কিন অবরোধ উপেক্ষা করে দ্বিতীয় একটি সুপারট্যাংকার পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শিবালয়ে মোবাইল কোর্ট ১২হাজার টাকা জরিমানা ২জন আটক ৫ মোটরসাইকেল জব্দ মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শিবালয় থানার ওসি মো.মনির হোসেন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আরিচা যমুনার তীরে ঘুড়ি উৎসব নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে শিবালয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন  নববর্ষ উপলক্ষে আরিচা যমুনা নদীর তীরে ৭ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঘুড়ি উৎসব শিবালয়ে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা

নতুন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন: বিচারক থেকে বঙ্গভবনে

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৮১ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ‘সংবিধানের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধানের’ শপথ নিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। কর্মজীবনে তিনি জেলা ও দায়রা জজ এবং দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক এবং বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত সমন্বয়কারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। অনন্য যোগ্যতার সিঁড়ি বেয়ে বিচারক থেকে রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে বঙ্গভবনে পদার্পণ ঘটল তার।

সোমবার বেলা ১১টায় বঙ্গভবনে ১০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে শপথ নেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তাকে শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বঙ্গভবনের দরবার হলে এই শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয় কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে। আর অনুষ্ঠান শেষ হয় জাতীয় সংগীতের সুরে সুরে। অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছিল তিনটি চেয়ার। মাঝের চেয়ারে বসেন আবদুল হামিদ, তার ডান পাশে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন আর বাঁ পাশে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর নতুন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং বিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অফিসের দায়িত্ব পরিবর্তনের অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজ নিজ আসন বদল করেন। পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী শপথ নথিতে স্বাক্ষর করেন। রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণের পর অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এর আগে কালো মুজিব কোট ও সাদা পাঞ্জাবি পরে নতুন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও স্পিকারকে নিয়ে সকাল ১০টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে প্রবেশ করেন।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছোট বোন শেখ রেহানা ছাড়াও অতিথিদের কাতারে ছিলেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, নতুন রাষ্ট্রপতির স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা ও ছেলে আরশাদ আদনান রনি, বিদায়ি রাষ্ট্রপতির স্ত্রী রাশিদা খানম ও ছেলে ইঞ্জিনিয়ার রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক এমপিসহ পরিবারের অন্যরা। এ ছাড়া ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, সংসদে বিরোধী দলের উপনেতা জিএম কাদের, জাতীয় সংসদের হুইপ, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, রাজনৈতিক নেতা, তিন বাহিনীর প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, জাতীয় সংবাদপত্রের সম্পাদকসহ পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ ১ হাজার ১০০ জনেরও বেশি আমন্ত্রিত অতিথি শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শপথ নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে সঙ্গে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ (বা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা) করিতেছি যে, আমি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের কর্তব্য বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব; আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিব; আমি সংবিধানের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান করিব; এবং আমি ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হইয়া সকলের প্রতি আইন অনুযায়ী যথাবিহীত আচরণ করিব।’

শপথ শেষে বিদায়ি রাষ্ট্রপতি নতুন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে করমর্দন করেন এবং তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। এরপর দুজনের চেয়ার বদলের মধ্য দিয়ে সারা হয় দায়িত্ব হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা। শপথ অনুষ্ঠান শেষ হয় জাতীয় সংগীতে।

অন্যদিকে সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সোমবার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কার্যভার গ্রহণ করেছেন। নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্বাক্ষরিত অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মূলত শপথ গ্রহণের মাধ্যমেই রাষ্ট্রপতির কার্যভার গ্রহণ করা হয়।

বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা নিয়ে ১৯৬৬ সালে যখন আলোচনা তুঙ্গে, পাবনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সে সময়ই প্রথম দেখা; আলাপের শেষে সদ্য এসএসসি পাস তরুণ সাহাবুদ্দিনকে ‘তুই’ সম্বোধন করে বঙ্গবন্ধু বললেন, ‘মাঠে আয়’, সেই থেকে শুরু। পরের ছয় দশকে ছাত্ররাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, আইন পেশা, বিচারকের দায়িত্ব, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব সামলানোর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের পর বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

৭৩ বছর বয়সি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনীত বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে ২১ মেয়াদে এ পদে কয়েকজন একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন। সেই হিসেবে সাহাবুদ্দিন সপ্তদশ ব্যক্তি, যিনি এ দায়িত্ব নিলেন।

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ১৯৪৯ সালের ১০ ডিসেম্বর পাবনা শহরের শিবরামপুরের জুবিলি ট্যাঙ্কপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম শরফুদ্দিন আনসারী, মাতার নাম খায়রুন্নেসা। মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন রাধানগর মজুমদার অ্যাকাডেমি থেকে ১৯৬৬ সালে এসএসসি, পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে ১৯৬৮ সালে এইচএসসি এবং ১৯৭১ সালে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ সালে তিনি মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি পাবনা শহিদ আমিনুদ্দিন আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন এবং ১০৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একমাত্র তিনিই উচ্চতর দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন।

ছাত্রজীবনে রাজনীতিতে ছেষট্টির ৬ দফা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৭-৬৮ সালে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৬৯-৭০ সালে অবিভক্ত পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং ১৯৭০-৭৩ সালে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ পাবনা টাউন হল ময়দানে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনকারীদের মধ্যে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ছিলেন অন্যতম। তিনি পাবনা জেলা স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ১৯৭১ সালে মুজিব বাহিনীর সদস্য হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তিনি ১৯৭৪ সালে পাবনা জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠিত হলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে পাবনা জেলা বাকশালের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে মনোনয়ন দেন। মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন দৈনিক বাংলার বাণীতে সাংবাদিকতাও করেছেন।

পঁচাত্তের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পাবনায় প্রতিরোধ মিছিলে নেতৃত্ব দেন। এ কারণে তাকে ২০ আগস্ট গ্রেফতার করা হয় এবং তিন মাস তিনি সেনা ক্যাম্পে নির্যাতনের শিকার হন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং তিন বছর কারাভোগের পর ১৯৭৮ সালে মুক্তি পান। তিনি ১৯৮০ সালে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন।

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিচার) ক্যাডারে যোগ দেন। ১৯৯৫-৯৬ সালে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব নির্বাচিত হন। তিনি চাকরিকালীন অতিরিক্ত জেলা জজ ও জেলা জজদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার মূল্যায়নে উভয় ক্ষেত্রেই প্রথম স্থান অধিকার করেন।

শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আইন মন্ত্রণালয় তাকে সমন্বয়কারী হিসেবে নিয়োগ দেয়।

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে ২০০৬ সালে অবসর নেন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইন পেশায় প্রত্যাবর্তন করেন। ২০০১ সালে সাধারণ নির্বাচনের পর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা, হত্যা, ধর্ষণ ও লুণ্ঠনের ঘটনায় পরে গঠিত তদন্ত কমিশনের প্রধান ছিলেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন যা ‘সাহাবুদ্দিন কমিশন’ নামে পরিচিত। এ কমিশনের প্রতিবেদন সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়।

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় বিশ^ব্যাংক পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপন করে। সরকার দুদককে এ বিষয়ে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দিলে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন দৃঢ় ভূমিকা পালন করেন এবং বিশ^ব্যাংকের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণে সক্ষম হন। কানাডার টরন্টোর ওন্টারিও কোর্ট অব জাস্টিস এ সংক্রান্ত মামলাটি নিষ্পত্তিকালে তার তদন্ত প্রতিবেদনটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে সমর্থন করেছে।

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

সাহাবুদ্দিন পাবনা ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২-৭৪ পর্যন্ত তিনি পাবনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ও ১৯৭৩-৭৪ সালে পাবনা জেলা পরিবার পরিকল্পনা সমিতির কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি পাবনা প্রেসক্লাব, অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরি ও বনমালী শিল্পচর্চা কেন্দ্রের জীবন সদস্য।

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা সরকারের যুগ্মসচিব হিসেবে ২০০৯ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে একটি বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও পরিচালক হিসেবে কর্মরত। মো. আরশাদ আদনান তাদের একমাত্র সন্তান। তার দুই জমজ নাতি তাহসিন মো. আদনান ও তাহমিদ মো. আদনান এ-লেভেলে পড়াশোনা করছে।

ভ্রমণ করা, বই পড়া ও গান শোনা মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের প্রিয় শখ। সোমবার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :