
শাহজাহান বিশ্বাস: বিএনপির জেষ্ঠ্য যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন,দেশ একজন লেডি মহিলা ফেরাউনের হাতে পড়েছিল।এই লেডি ফেরাউন তার ক্ষমতার জন্য দেশের কয়েক লক্ষ মানুষকে ক্ষুন করেছে।তিনি দেশের পুলিশ, সেনাবাহীনি,বিমান বাহীনি, নৌবাহীনিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাহীনিকে ডেকে বলেছেন আমার জন্য পুলিশ তো অনেক কিছুই করছে।আপনারা করবেন না কেন? আর কেউ তাকে সর্মথন করে নাই। এর মানে শেখ হাসিনা চাইছিলেন দেশের ১০লাখ লোক মড়ে যাক। পুলিশ যেভাবে হত্যা করেছে অন্যান্য বাহিনী এভাবে হত্য করে নাই। আমরা জেলে বসে এগুলো শুনেছি।
আজ (সোমবার) দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার উলাইল ইউনিয়নের রূপসা গ্রামের শহীদ রফিকুল ইসলামের বাড়িতে আমরা বিএনপি পরিবার আয়োজিত সভায় তাঁদের হাতে নগদ অর্থ প্রদান করেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তিনি আরো বলেন,অন্যের জন্য গর্ত করলে যে, সেই গর্তে পরতে হয় তার প্রমান শেখ হাসিনা। যিনি ক্ষমতা ধরে রাখতে নিজ দেশের শিশুকেউ হত্যা করতে দ্বিধা করেনি সেই ভয়ংকর স্বৈরাচার হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত। হাসিনার জন্য কত কান্না কাটি করছেন, মিথ্যা অপপ্রচার করছেন তার কোন শেষ নাই।
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতি হাজার বছরের।আপনার নিজের দেশের দিকে তাকান না কেন? এক গুজরাটেই এক/ দুই দিনেই দুই হাজার মুসলমানকে মেরে ফেললেন। চারশ বছরের বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে রাম মন্দির বানালেন। আপনাদের মতো সাম্প্রদায়ীক পৃথীবির আর কেউ না। এত বড় ঘটনার পর আপনাদের কোন দেশেও নাই। সব দোশ বাংলাদেশের।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন চলাকালে আইন শৃঙ্খখলা বাহিনীর গুলিতে মানিকগঞ্জ জেলায় শহীদ রফিকুল ইসলাম, আফিকুল ইসলাম সাদ ও ছায়াদ মাহমুদ খান এবং আহত সাকিব খান ও হাসনা হেনার পরিবারগুলির মাঝে আর্থিক সহায়তা দিয়ে ‘আমরা জিয়া পরিবার’ নামের একটি সংগঠন।
‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর সভাপতি আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি আফরোজা খান রিতা, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর উপদেষ্টা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও আহতরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যদানকালে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘অন্যের জন্য গর্ত করলে যে, সেই গর্তে পরতে হয় তার প্রমাম শেখ হাসিনা।
তিনি আপোষহীন নেতৃ বেগম খালেদা জিয়াকে বিনা অপরাধে কারাগারে বন্দী রেখেছিলেন। ছাত্র জনতার গনআন্দোলনের মুখে ২০০০ ছাত্র জনতার হত্যার দায় নিয়ে শেখ হাসিনা চলে গেছেন। তিনি ভেবেছিলেন তার প্রভু ভারত সরকার তাকে টিকিয়ে রাখবেন। কিন্তু পারেন নি। ভিডিও বার্তা দেওয়ার জন্য তারেক রহমানের সমালোচনা করতেন। আজ শেখ হাসিনা নিজেই ফেসবুক, ইউটিউবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। কোথায় গেলো আপনার বাহাদুরি।
তিনি বলেন, ছাত্র জনতার আন্দোলনে শহীদ এবং আহতদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞ থাকতে হবে
তাঁদের অবদানের কথা স্মরণ করতে তাঁদের নামে স্থাপনা ও সড়কের নামকরণ করতে হবে। বিএনপি জনগণের দল। আগামীতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে তাঁদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হবে।
পরে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
Leave a Reply