1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মার্কিন অবরোধ উপেক্ষা করে দ্বিতীয় একটি সুপারট্যাংকার পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শিবালয়ে মোবাইল কোর্ট ১২হাজার টাকা জরিমানা ২জন আটক ৫ মোটরসাইকেল জব্দ মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শিবালয় থানার ওসি মো.মনির হোসেন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আরিচা যমুনার তীরে ঘুড়ি উৎসব নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে শিবালয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন  নববর্ষ উপলক্ষে আরিচা যমুনা নদীর তীরে ৭ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঘুড়ি উৎসব শিবালয়ে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা শিবালয়ে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের কমিটি গঠন শিবালয়ের যমুনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দ্বন্ধে গুলিতে নিহত ১, আহত ১

শিবালয় সদরউদ্দিন ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীদের কর্মবিরতি,পরীক্ষা বন্ধ বিপাকে শিক্ষার্থীরা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫
  • ১৯৬ বার পড়েছেন

শাহজাহান বিশ্বাস: ২৭ মে ২০২৫

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে কলেজ অধ্যক্ষ ড. বাসুদেব কুমার দে সিকদারের পদত্যাগের দাবীতে লাগাতার অবরোধ কর্মসুচি পালন করছেন উক্ত কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারিরা। ফলে কলেজের বর্ষ সমাপনী পরীক্ষাসহ বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার পাঠদান কার্যক্রম। এতে বিপাকে পড়েছে অত্র কলেজের শিক্ষার্থীরা।

কলেজ সুত্রে জানা গেছে, ২৭ মে মঙ্গলবার  ২য় দিনের মতো শিক্ষক-কর্মচারীদের কর্মবিরতি পালন করছেন। গত ২৬ মে থেকে এ কর্মবিরতি চলছে। এসময় কলেজের একাদশ শ্রেণির পূর্ব নির্ধারিত বর্ষ সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণ না করায় ৫শতাধিক এবং ডিগ্রী ও অনর্সের ৪৪ শিক্ষার্থী পরীক্ষা না দিয়ে ফিরে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে। কলেজ অধ্যক্ষের নানা-অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারীরা তার অপসারণের দাবিতে ২৫ মে রবিবার মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় পরদিন থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা কর্মবিরতি কর্মসুচী দেন। এতে কলেজের কার্যক্রমে চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, অধ্যক্ষ বাসুদেব শিকদার ইতিপূর্বেও নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। কিন্তুু ওই সময় আওয়ামীলীগ সরকারের প্রভাব খাটিয়ে অর্থের জোরে আবার নিজ আসনে আসিন হন।  এরপর থেকে তিনি নতুন করে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে কলেজের লাখ-লাখ টাকা আত্মসাত করেন। বিভিন্ন খরচের নামে ও অনুদানের কথা বলে কলেজের বহু টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন তিনি। যে কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের বিগত ১৭ মাস ধরে বেতন-ভাতা না দিয়ে নানা ধরনের তালবাহানা করছেন অধ্যক্ষ।অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া করা না হলে এ কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে বলে শিক্ষকরা জানিয়েছেন।

একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী মিথিলা সুত্রধর জানান, আমাদের ইয়ারচ্যাঞ্জ পরীক্ষা চলছে। এরমধ্যে স্যাররা কলেজ থেকে বেতন না পাওয়াতে অধ্যক্ষ স্যারের পদত্যাগের দাবীতে কর্মবিরতি পালন করছেন অন্যান্য স্যাররা। এটা স্যারদের ব্যাপার কিন্তু এখানে আমরা তো কোন দোষ করেনি। তাহলে আমাদের পরীক্ষা বন্ধ থাকবে কেন? আমরা দ্রুত এ সমস্যার সমাধান চাই্

প্রভাষক ওহিদুল ইসলাম জানান, দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ বাসুদেব দীর্ঘ ১৫ বছর নানা ধরনের অনিয়ন-দুর্নীতি করে এসেছে। আমরা বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছি। ইতি পূর্বে ডিসি স্যার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও সুপারিশ করেছেন। পূর্বে তিনি বহিষ্কারও হয়েছিলেন। কিন্তুু কোন এক অদৃশ্য শক্তির বলে তিনি এ পদে বহাল রয়েছেন। তার অপসারণের জন্য প্রথমে মানববন্ধন করেছি এখন কর্মবিরতি পালন করছি। যতদিন না তাকে এ পদ থেকে অপসারণ করা না হবে ততদিন  আমাদের এ কর্মসূচী চলবে তিনি জানান।

শিক্ষক সুজিত কুমার জানান, গত ২৪ তারিখে সকল শিক্ষক-কর্মচারীরা অধ্যক্ষের পদত্যাগ করার জন্য ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। পরদিন আমরা মানববন্ধন ও দুদিন ধরে কর্মবিরতি পালন করছি। কিন্তু, ২৪ তারিখের পর অধ্যক্ষ আর কলেজে আসেনি। ২৪ তারিখ বিকেলে তিনি জরুরি জিনিসপত্র নিয়ে যান।

একাদশ শেণির মাবনিক বিভাগের শিক্ষার্থী সুব্রত, রাশেদ কাজী, মিঠু সুত্রধর, আয়েশা আক্তার ও বিনা আক্তার জানান, শিক্ষদের কর্মবিরতির কারণে পরীক্ষা দিন তাকে পাওয়া যায়নি। আমাদের শিক্ষদের যে ১৭ মাসের বেতন আকটে রাখা হয়েছে বিষয়টি অমানবিক। আমরা চাচ্ছি শিক্ষরা যে দাবি নিয়ে কর্মবিরতি দিয়েছে তাদের দাবি মেনে অধ্যক্ষের পদত্যাগসহ সঠিক বিচার দাবি জানাই এবং কলেজের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসে।

এব্যাপারে কলেজ অধ্যক্ষ ড. বাসুদেব দে শিকদার বলেন, তার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে এগুলো সব মিথ্যা বানোয়াট। এক কুচক্রীমহল তাকে সহ্য করতে পারছে না। তারাই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের চক্রন্ত করছে বলে তিনি জানান।

শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, শিক্ষার্থদের পরীক্ষা নেয়ার জন্য শিক্ষকদেরকে অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তুু তারা কোন কথায় শুনছেন না। শিক্ষকরা এসেছিলেন অধ্যক্ষকে অপসারণের জন্য যা আমার এখতিয়ারে বাইরে। আগামী ২৯ মে মিটিং ডাকা হয়েছে। ওই মিটিংয়ে সবাই মিলে একটা সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :