
নিজস্ব প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সংকট রয়েছে। সরকারি হাসপাতালে কিট না থাকায় পরীক্ষা করতে হচ্ছে বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক থেকে। এতে বাড়তি খরচের বোঝা বইতে হচ্ছে রোগী ও স্বজনদের।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু রোগের শুরুতেই ৪০০ করে কিট পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে কীট সংকট দেখা দেয়। প্রতিদিন এই হাসপাতালে ২০-৩০ টি কিটের প্রয়োজন রয়েছে। ৪০০ কিট অল্প সময়ে শেষ হয়ে গেলে কীটের সংকট দেখা দেয়। পরে আবার ১০০ টেস্ট কীট বরাদ্দ দেয়। সেই ১০০ কীট ও শেষ হলে হাসপাতালে একসপ্তাহের ও বেশি সময় ধরে কীট সংকট রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ জ্বর, বমি ও ঠান্ডা নিয়ে অনেক রোগী হাসপাতালে আসছেন। জ্বরের অনেককে ডেঙ্গু টেস্ট করতে বলায় কীট না থাকায় হাসপাতাল সংলগ্ন মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ ডেঙ্গু টেস্ট করাতে ভিড় করছেন।
ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কথা হয় রাহিলা বেগমের সাথে। তিনি বলেন, বাচ্চাকে ডাক্তার দেখালে ডেঙ্গু টেস্ট করাতে বলে। হাসপাতালে টেস্ট হবেনা বললে এখানে আসছি।
উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন জানান, স্ত্রীকে নিয়ে উপজেলা হাসপাতালে গেলে ডাক্তার ডেঙ্গু টেস্ট করতে বলেন। তবে হাসপাতালে টেস্ট কীট না থাকায় বাইরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে করতে হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ল্যাব ইনচার্জ শ্যামা প্রসাদ সরকার বলেন, গতকাল থেকে ডেঙ্গু টেস্ট কীট নেই। কীট না থাকায় ডেঙ্গু টেস্ট হচ্ছে না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেহেরুবা পান্না বলেন, কিটের চাহিদা অনেক। কীট শেষ হয়ে গেছে। কিটের চাহিদাপত্র পাঠাবো। কীট পেলে সাথে সাথেই ডেঙ্গু টেস্ট আবার শুরু হবে।
মানিকগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন মোয়াজ্জেম আলী খান বলেন, হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ কীট শেষ হয়েছে এমন তথ্য জানা নেই। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ কীট শেষ হয়ে গেলে লোকালি ম্যানেজ করতে নির্দেশনা দেয়া আছে।
Leave a Reply