1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে মাদক ব্যাবসায়ীসহ বিভিন্ন মামলায় ৭ জন আটক বর্ষা শুরুর আগেই নদী ভাঙন , চিন্তিত শিবালয়ের যমুনা পাড়ের মানুষ শিবালয়ে হেরোইনসহ আটক ১ শিবালয়ে সাংবাদিকের বাসায় মাদক ব্যাবসায়ীর হামলা মানিকগঞ্জে মাটি খেকোদের থাবা থেকে ফসলি জমি রক্ষায় কৃষকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ  শিবালয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা, আটক ৩ মানিকগঞ্জে শেষ হলো ‘শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন শীর্ষক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  মার্কিন অবরোধ উপেক্ষা করে দ্বিতীয় একটি সুপারট্যাংকার পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শিবালয়ে মোবাইল কোর্ট ১২হাজার টাকা জরিমানা ২জন আটক ৫ মোটরসাইকেল জব্দ

ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক যুক্তরাষ্ট্র চায় মডেল নির্বাচন

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২০০ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: আমরা সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ-সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : ড. এ কে আব্দুল মোমেন আমেরিকাসহ গোটা বিশ্ব বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে মুখিয়ে আছে : ব্লিঙ্কেন

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি জে বিøঙ্কেনের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের বহুল কাক্সিক্ষত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সরকারের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশে এবারের নির্বাচন হতে হবে ‘মডেল নির্বাচন’। যা সারা বিশ্বের কাছে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ‘মডেল’ হবে। অ্যান্থনি জে বিøঙ্কেন বলেছেন, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এটি অবশ্যই অবাধ এবং সুষ্ঠু হতে হবে। শুধু বাংলাদেশ নয় বরং আন্তর্জাতিকভাবেও নির্বাচনটি গ্রহণযোগ্য হওয়ার তাগিদ দিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের শুরুতেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় পর্যায়ের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ওয়াশিংটন সময় বেলা দেড়টা তথা বাংলাদেশ সময় সোমবার মধ্যরাতে মোমেন-বিøঙ্কেন কাক্সিক্ষত এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য তথা মডেল বা আদর্শ নির্বাচন দেখতে চায়। জবাবে আমি বলেছি, আমরাও তাই চাই। গণতন্ত্র আমাদের রক্তে মিশে আছে। নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচন করার ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রæতিবদ্ধ।

বাংলাদেশের রাজনীতিক, ক‚টনৈতিক মহল, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার যারা রাজনীতির খবর রাখেন তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির দিকে তাকিয়ে ছিলেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি জে বিøঙ্কেনের মধ্যে কি কথা হয় তা জানার জন্য মুখিযে ছিলেন তারা।

এর আগে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তুলোধুনো করেন। তিনি বলেন, আমেরিকা চাইলে যেকোনোও দেশের ক্ষমতা উল্টাতে-পাল্টাতে পারে। আমেরিকা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে, আবার দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্তদের পক্ষ হয়েই তারা ওকালতি করে। গণতন্ত্রকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশে এমন একটা সরকার আনতে চাচ্ছে তার গণতান্ত্রিক কোনোও অস্তিত্ব থাকবে না। অগণতান্ত্রিক ধারা।

ওয়াশিংটনের বৈঠকের সুচনাতেই কোনো রাখ-ঢাক না করেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি জে বিøঙ্কেন বাংলাদেশের অত্যাসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য করার নিশ্চয়তার পদক্ষেপ জানতে চান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের কাছে। বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে যুক্তরাষ্ট্রের আকাক্সক্ষা পুনর্ব্যক্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গোটা বিশ্ব আগামী নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আছে। অবশ্য আমরাও (যুক্তরাষ্ট্র) তাকিয়ে আছি, যাতে বাংলাদেশ এই অঞ্চল ও বিশ্বের জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের শক্তিশালী উদাহরণ তৈরি করতে পারে। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন তার ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা উদ্বোধনী বক্তব্যে এ নিয়ে কিছু না বললেও হোটেলে ফিরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে সব দলের অংশ গ্রহণে একটি অবাধ, স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য তথা ‘মডেল’ নির্বাচনের প্রতিশ্রæতি দেয়ার কথা জানান।

বাংলাদেশ মিশনের রিপোর্ট মতে, আধা ঘণ্টার কম সময় স্থায়ী ছিল দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কয়েক মিনিটের সূচনা বক্তব্যের রেকর্ডটি এরইমধ্যে প্রচার করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট। সেখানের ড. মোমেনের কোনো বক্তব্য দেখা যায়নি। ক্লোজডোর আলোচনার অনেক কিছুই মুখপাত্রের পরবর্তী ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রচারিত ভিডিওতে শোনা যায়, সূচনা বক্তৃতায় বিøঙ্কেন বলছেন, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি অবশ্যই অবাধ এবং সুষ্ঠু হতে হবে। শুধু বাংলাদেশ নয় বরং আন্তর্জাতিকভাবেও নির্বাচনটি গ্রহণযোগ্য হওয়ার তাগিদ দিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের শুরুতেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় পর্যায়ের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করার গুরুত্বের পাশাপাশি উঠে আসে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গও। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশ এবং দেশের জনগণকে সাধুবাদ জানিয়ে বিøঙ্কেন বলেন, বাংলাদেশ ১০ লক্ষ রোহিঙ্গাদের উদারতার সঙ্গে যেভাবে আশ্রয় দিয়েছে সেটাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানবাধিকার এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যুতে জোর দেন তিনি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে সূচনা বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এতে দুই দেশের সম্পর্কের ভীত অত্যন্ত মজবুত উল্লেখ তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বহুমাত্রিক এবং গতিশীল, যা বিগত ৫০ বছরে ধাপে ধাপে বিকশিত হয়েছে। আমরা চাই সামনের ৫০ বছর এবং তারপরেও যেন এটি আরো আরো বৃদ্ধি পায়। গত স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিøঙ্কেন। সেই চিঠি দু’টির অংশবিশেষ বৈঠকে তুলে ধরেন ড. মোমেন। বাংলাদেশের সরকার প্রধানকে লেখা মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিঠির সমাপনীতে মুক্তিযুদ্ধের সর্বজনীন সেøাগান ‘জয় বাংলা’ উল্লেখ থাকার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন ড. মোমেন। সেইসঙ্গে জো বাইডেনের চিঠির জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি চিঠি বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দিয়েছেন জানিয়ে ড. মোমেন চিঠিটি বিøঙ্কেনের কাছে হস্তান্তর করেন। বিøঙ্কেনের চিঠিতে বাংলাদেশকে এ অঞ্চলের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে প্রশংসা সম্বলিত যেসব কথা বলা হয়েছে তার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে মোমেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর হোটেলে ফিরে সংবাদ সম্মেলন করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এ সময় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য তথা মডেল বা আদর্শ নির্বাচন দেখতে চায়। জবাবে আমি বলেছি, আমরাও তাই চাই। আমি বলেছি গণতন্ত্র আমাদের রক্তে মিশে আছে। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে মানুষ রক্ত দিয়েছে। এ সময় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য চেয়ে ড. মোমেন স্বাধীন নির্বাচন কমিশন এবং স্বচ্ছভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য গৃহীত সরকারি পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, আমি বলেছি, বাংলাদেশ মার্কিন পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানায় কিন্তু বাংলাদেশি বংশোদ্ভ‚ত কোনো পক্ষপাতিত্বমূলক পর্যবেক্ষককে নয়। আমি বলেছি, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান আওয়ামী লীগ সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য বিরোধী দলকেও এগিয়ে আসতে হবে। আমরা দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করছি। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের সময় মানুষ মারা যান। কিন্তু আমরা চাই না, একজন মানুষেরও মৃত্যু হয়। আমরা নির্বাচন নিয়ে একটা পরিবেশ তৈরি করছি। সকলকে এই ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি যেমন মার্কিন পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানিয়েছেন, তেমনই বলেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারাই জিতবেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করলেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হাত দেয়নি। শুধু সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করলে শাস্তি দেয়া হয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে কেউ জনজীবন বিঘিœত করতে পারে না। আমেরিকা কয়েকজনের বিষয়ে ন্যায়বিচারের কথা বলেছে। আমরা জানিয়েছি, অবশ্যই ন্যায়বিচার হবে। এ সময় বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছি।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে ধর্মীয় ও নৃতাত্তি¡ক সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী ও শ্রমিকদের অধিকার সমুন্নত রাখা এবং সন্ত্রাসবাদ দূর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বলে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান ড. মোমেন। তিনি বলেন, মার্কিন মন্ত্রীকে খোলাসা করেই বলেছি, সব দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন চায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার। সেই সঙ্গে সরকার ও দল আশা করে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে সাহায্য-সহায়তাসহ নানাভাবে তারা খুশি রাখতে পেরেছেন। ফলে আগামী নির্বাচনে সব দল এলেও তারা বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ফের ক্ষমতায় ফিরতে পারবে বলে বিশ্বাস করেন। তিনি আরো বলেন, এ জন্য আমার সরকার সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য তথা মডেল নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশে আশ্রিত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের সেদেশে ফেরত পাঠানো, মার্কিন বিভিন্ন উন্নয়ন-সহায়তা তহবিল থেকে বাংলাদেশে উন্নয়ন-সহায়তা প্রদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেছি।

বৈঠকে ড. মোমেনের সঙ্গে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান, দূতালয় উপ-প্রধান মিস ফেরদৌসী শাহরিয়ার, মহাপরিচালক (উত্তর আমেরিকা) খন্দকার মাসুদুল আলম, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে বিøঙ্কেন ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে কাউন্সিলর ডেরেক শোলে, জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসন বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অব স্টেট মিস জুলিয়েটা ভালস নয়েস, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং শ্রম বিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অফ স্টেট মিস কারা ম্যাকডোনাল্ড, দক্ষিণ এবং মধ্য এশিয়া বিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অফ স্টেট মিস আফরিন উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :