
নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিকগঞ্জের শিবালয়ে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন না থাকায় ৩টি মামলায় ১২হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় পাঁচটি মোটরসাইকেল জব্দ এবং তেলের পাম্প ভাংচুর করার অপরাধে ২জনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার ১৫ এপ্রিল রাত ১২টায় উপজেলা উথুলী মোড়ে সারমানো ফিলিং ষ্টেশনে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিষা রাণী কর্মকার।এসময় শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মানির হোসেনসহ শিবালয় থানা ও বরংগাইল হাইওয়ে থানা পুলিশের টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে তেল শেষ হয়ে গেলে পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল দেওয়া বন্ধ করে দিলে উত্তেজিত মাটরসাইকেল চালকরা উক্ত ফেলিংষ্টেশন ভাংচুর করে। এসময় ২জনকে আটক করা হয়েছে। এরা হলেন, সাইফুল ইসলাম (৪৯), পিতা-ফজলাব রহমান, জেলা বগুড়া থানা ধুনুট, গ্রাাম ধুনুট চালাপাড়। থাকেন মানিকগঞ্জের চরবেওথা ভাড়া বাসায়। রাসেল(২৪),পিতা-তাহেজ উদ্দিন, গ্রাম, ঝিটকা হরিরামপুর মানিকগঞ্জ। এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জ্বালানী সংকটের পর থেকেই ফিলিং ষ্টেশনগুলোতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে। এই বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে এবং তেলের সঠিক ব্যাবহারের লক্ষ্যেই মুলত এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার দিবাগত রাত ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত সারমানো ফিলিং ষ্টেশনে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় তেল নিতে আসা মটরসাইকেলগুলোর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এতে ২ জন চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় সড়ক পরিবহণ আইনে ১হাজার টাকা করে ২হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আরেকটি মটর সাইকেলের রেজিষ্ট্রেশন না থাকায় চালককে ১০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।এছাড়া কোন কাগজপত্র না থাকায় ৫টি মটরসাইকেল জব্দ করে হাইওয়ে থানা পুলিশের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
এব্যাপারে শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনির হোসেন বলেন, উপজেলার সারমানো ফিলিং ষ্টেশনে বুধবার দিবাগত রাত ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিষা রাণী কর্মকার। রাত ১১টা থেকে প্রশাসন ও পুলিশের উপস্থিতে সুষ্ঠভাবে তেল সরবরা করছিল পাম্প কর্তৃপক্ষ। তেল শেষ হওয়র আগ পর্যনন্ত শিবালয় থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের টিম উপস্থিত ছিল। তেল শেষ হলে পাম্প কর্তৃপক্ষ বন্ধ কলে মটরসাইকেল চালকরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পাম্প ভাঙচুর করে। এসময় দু’জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে ওসি জানিয়েছেন।
Leave a Reply