1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে হেরোইনসহ আটক ১ শিবালয়ে সাংবাদিকের বাসায় মাদক ব্যাবসায়ীর হামলা মানিকগঞ্জে মাটি খেকোদের থাবা থেকে ফসলি জমি রক্ষায় কৃষকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ  শিবালয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা, আটক ৩ মানিকগঞ্জে শেষ হলো ‘শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন শীর্ষক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  মার্কিন অবরোধ উপেক্ষা করে দ্বিতীয় একটি সুপারট্যাংকার পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শিবালয়ে মোবাইল কোর্ট ১২হাজার টাকা জরিমানা ২জন আটক ৫ মোটরসাইকেল জব্দ মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শিবালয় থানার ওসি মো.মনির হোসেন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আরিচা যমুনার তীরে ঘুড়ি উৎসব

রাশিয়ার সেনাবাহিনীরা বেলারুশে যাওয়ার ‘প্রস্তুতি নিচ্ছে’ ভাগনারের যোদ্ধারা

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৯ জুলাই, ২০২৩
  • ২২০ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: রাশিয়ার সেনাবাহিনীর নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বিশ্ব জুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন ইয়েভগেনি প্রিগোশিন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি সফল হননি।

প্রিগোশিনকে বশ্যতা মানতে হয়েছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের। চুক্তি করতে হয়েছে বেলারুশে চলে যাওয়ার। ভাড়াটে সেনা গ্রুপটির একজন শীর্ষ কমান্ডার টেলিগ্রামে দাবি করেছেন, ভাগনার বাহিনী চুক্তি অনুযায়ী বেলারুশে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অবশ্য বার্তা সংস্থা রয়টার্স থেকে টেলিগ্রাম চ্যানেলে পোস্ট করা এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে বিদ্রোহের ওই ব্যর্থ সমাপ্তির পর থেকে একেবারে নিশ্চুপ প্রিগোশিন। ২৬ জুন নিজের যোদ্ধাদের বিদ্রোহের প্রতি সমর্থন জানানোর পর থেকে তার আর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গত বছর ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিনের সবচেয়ে মারাত্মক অস্ত্র হয়ে উঠেছিল প্রিগোশিনের ভাগনার বাহিনী। তবে গত ২৩ জুন হঠাৎ করে প্রিগোশিন রুশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসেন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোর মধ্যস্থতায় ওই বিদ্রোহের অবসান হয়। বিদ্রোহীদের কোনো সাজার মুখে পড়তে হবে না বরং তাদের রাশিয়া ছেড়ে বেলারুশে চলে যেতে দেওয়া হবে এই শর্তে একটি চুক্তিও হয়। রয়টার্স বলছে, বিদ্রোহের পর থেকে প্রিগোশিন ও তার বাহিনী ঠিক কোথায় অবস্থান করছে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পরছে না ।

ভাগনার যোদ্ধাদের একটি অংশ বিদ্রোহে যোগ দিলেও বাকি অংশ বিদ্রোহে রাজি হয়নি। যারা বিদ্রোহে যাননি, তারা চাইলে রাশিয়ার নিয়মিত সেনাবাহিনীর অংশ হতে পারবে। তবে প্রিগোশিন এবং বিদ্রোহে অংশ নেওয়া ভাগনার যোদ্ধাদের রাশিয়া ছাড়ার আবশ্যকতা রয়েছে চুক্তিতে। গত বৃহস্পতিবার লুকাশেঙ্কো বলেছিলেন, প্রিগোশিন এবং তার যোদ্ধারা তখনও রাশিয়ায় অবস্থান করছে।

এই বক্তব্য বিদ্রোহ চুক্তির বাস্তবায়নকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। শনিবার ভাগনারের শীর্ষ কমান্ডারদের একজন অ্যান্টন ইয়েলিজারোভ টেলিগ্রাম ম্যাসেজিং অ্যাপে একটি চ্যানেলে আসেন। তিনি বলেন, বেলারুশে যাওয়ার আগে প্রিগোশিনের নির্দেশে ভাগনার যোদ্ধারা বর্তমানে ছুটি কাটাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় সরকার এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আমাদের ঘাঁটি এবং প্রশিক্ষণ ক্যাম্প বানাতে হবে। বেলারুশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং রসদ সরবরাহ ব্যবস্থাও স্থাপন করতে হবে।’

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :