1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে হার্ডওয়ার কারখানার শ্রমিকদের ঢাকা-পাটুরিয়া মহাসড়ক অবরোধ শিবালয়ে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ শিবালয়ে মোবাইল কোর্ট ২৬হাজার টকা জরিমানা শিবালয়ে এই প্রথমবার জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত  শিবালয়ে রাস্তা উন্নয়ন কাজে বাঁধায় মানববন্ধন অবশেষে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে সমাধান শিবালয়ে দুই বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি’র সভাপতি হলেন মো.শহীদুর রহমান শিবালয়ে মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা শিবালয়ে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে গেল বাস ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী

করোনার উৎস নিয়ে গবেষণা প্রকাশ করেছে চীনা বিজ্ঞানীরা

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৫০ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে যুক্ত একটি বাজার থেকে তিন বছর আগে নেয়া নমুনার বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। ভাইরাসের উৎস অনুসন্ধানের কেন্দ্রবিন্দু ছিল উহানের আলোচিত হুয়নান সামুদ্রিক খাবার ও বন্যপ্রাণী বাজার।

শুক্রবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে ওই বাজার থেকে সংগৃহীত জৈবিক নমুনার এটিই প্রথম কোনো পর্যালোচনা। এর মাধ্যমে বাজারে আনা প্রাণীর সঙ্গে ভাইরাসের সম্পর্ক এবং তা থেকে প্রাদুর্ভাব শুরুর যোগসূত্র মিলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাপ্ত নমুনার মধ্যে যেখানে ভাইরাস পজিটিভ এসেছে তার মধ্যে বন্যপ্রাণীর জেনেটিক উপাদানও রয়েছে। কিছু বিজ্ঞানী বলেছেন, এটি আরও প্রমাণ করে যে, রোগটি প্রাথমিকভাবে একটি সংক্রামিত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছিল।

তবে কেউ কেউ অনুসন্ধান ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে সতর্কতার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া নমুনার জেনেটিক বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসতে কেন তিন বছর লেগেছিল তা স্পষ্ট নয়। এমনও বলা হয়ে থাকে, ভাইরাসটি দুর্ঘটনাক্রমে উহানের একটি পরীক্ষাগার থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল।

চীনা দলটি ফেব্রুয়ারিতে তাদের গবেষণার একটি প্রাথমিক সংস্করণ অনলাইনে প্রকাশ করে। তখন বাজার থেকে সংগৃহীত নমুনার সম্পূর্ণ জেনেটিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। গবেষণাপত্রে দেখা গেছে, বন্যপ্রাণী বিক্রি করা হয়েছিল এমন স্থান থেকে সংগ্রহ করা নমুনার পরীক্ষা পজিটিভ এসেছিল।

বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, যে প্রাণীগুলো ভাইরাসের জন্য সংবেদনশীল বলে পরিচিত, বিশেষ করে র‌্যাকুন জাতীয় কুকুর ওই বাজারে জীবিত বিক্রি হতো। তবে এই আবিষ্কারে কীভাবে প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছিল তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাব রয়েছে বলে জানান চীনা গবেষকরা।

তারা বলছেন, এই পরিবেশগত নমুনা প্রমাণ করতে পারে না যে প্রাণীগুলো সংক্রামিত হয়েছিল। কোনো প্রাণীর পরিবর্তে সংক্রামিত ব্যক্তির মাধ্যমেও এই ভাইরাস বাজারে আসতে পারে। ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ও গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়র অধ্যাপক ডেভিড রবার্টসন ২০২০ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকে সার্স-কভ-২ এর উৎপত্তি সম্পর্কে জেনেটিক তদন্তে জড়িত ছিলেন। তিনি বিবিসিকে বলেছেন, প্রকাশিত ডেটাসেটটিই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা পরবর্তী গবেষণায় কাজে লাগবে। তবে এও বলেন, সেখানকার প্রাণী সম্ভবত ভাইরাস দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল। নমুনার বিষয়বস্তু সেদিকেই যেতে বাধ্য করে। প্রমাণের পুরো অংশই গুরুত্বপূর্ণ।

ল্যাব থেকে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র যখন এমন তত্ত্বের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, সে সময় চীনা বিজ্ঞানীদের সংগ্রহ করা নমুনার বিশ্লেষণ প্রকাশ্যে এল। এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা এফবিএ কিছু প্রমাণ সরবরাহের কথা থাকলেও পরে তা প্রকাশ্যে আসেনি। অবশ্য মার্কিন গোয়েন্দাদের দেওয়া তত্ত্বটি বরাবরই অস্বীকার করে আসছে চীন।

সূত্র, বিবিসি

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :