1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা শিবালয়ে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের কমিটি গঠন শিবালয়ের যমুনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দ্বন্ধে গুলিতে নিহত ১, আহত ১ ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই’ মানিকগঞ্জে জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন জামিলুর রশিদ খান ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের মেয়াদ চার বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করার বিষয়ে আলোচনা পুলিশের সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল গ্রেফতার নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠক করেছেন দৌলতদিয়ায় বাসডুবির ঘটনায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা শিশু হামের টিকা পেয়েছে কিনা তা জানার উপায়

জাতীয় নির্বাচনে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকছে সশস্ত্র বাহিনী

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৬২ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক; দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে গতকাল বুধবার থেকে মাঠে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা টহল পরিচালনা করেছেন। উপকূলীয় অঞ্চলে নৌবাহিনীর পাশাপাশি কোস্ট গার্ড দায়িত্ব পালন শুরু করছে।

এ ছাড়া প্রয়োজনমতো সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিমানবাহিনীকে। এর বাইরেও গত ২৯ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনি মাঠে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাওয়া খবরে এবং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সরেজমিন বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছু গাড়িবহরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা টহল পরিচালনা করেছেন। এসব টহলে ভ্রাম্যমাণ আদালত হিসেবে সঙ্গে ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র ব্রিগেডের সদস্যরা গাড়িযোগে টহলের পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হেঁটে হেঁটেও টহল দিয়েছেন। সকালে বনানী, মহাখালী, দুপুরে গুলিস্তান স্টেডিয়াম এলাকা, পল্টন, রমনার মিন্টেুা রোড, ধানমন্ডি, উত্তরাসহ বিভিন্ন স্থানে টহল পরিচালনা করতে দেখা যায় সেনা সদস্যদের। আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নৌবাহিনীকে উপকূলীয় এলাকার ছয়টি  জেলার ১১টি আসনে মোতায়েন করা হয়েছে। সেগুলো হলো-ভোলা-১, ২, ৩ ও ৪, কক্সবাজার-২ ও ৪, চট্টগ্রাম-৩, নোয়াখালী-৬, বরগুনা-১ ও ২ এবং বাগেরহাট-৩। নৌবাহিনীর তিন হাজারের বেশি সদস্য ও ছয়টি যুদ্ধজাহাজ ১৯টি উপজেলায় ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

উপজেলাগুলো হলো-ভোলা জেলার ভোলা সদর, বোরহান উদ্দিন, দৌলতখান, তজুমুদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন, মনপুরা, চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ, নোয়াখালী জেলার হাতিয়া, কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, বরগুনা জেলার বরগুনা সদর, আমতলী, তালতলী, বামনা, বেতাগী, পাথরঘাটা এবং বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলা। নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী নৌবাহিনী উপকূলীয় অঞ্চলসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বেসামরিক প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য নিয়োজিত রয়েছে।

এদিকে গত শুক্রবার থেকে নির্বাচনি শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। বিজিবি সদর দফতর জানিয়েছে, ঢাকাসহ সারা দেশের নির্বাচনি এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিজিবি টহল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। এদিকে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচনে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ৭০০টি টহল টিম সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। শুক্রবার বিকাল থেকে উপকূলীয় ৪৩টি ইউনিয়নে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মোতায়ন করা হয়েছে। তারা ভোটকেন্দ্র এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন।

আইএসপিআর গত মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের সময় ও পরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ৩ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সংবিধানের ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ অনুচ্ছেদের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের অনুরোধে এবং অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক মোতায়েনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, দেশের ৬২টি জেলায় সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি এককভাবে ৪৫টি উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবে। এ ছাড়া বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সমন্বয়ে সেনাবাহিনী যথাক্রমে ৪৭টি সীমান্তবর্তী উপজেলা ও চারটি উপকূলীয় উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবে। ভোলা ও বরগুনাসহ উপকূলীয় ১৯টি উপজেলায় মোতায়েন থাকবেন নৌবাহিনীর সদস্যরা। পার্বত্য ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টার সহায়তা প্রদান করবে বিমানবাহিনী। এ ছাড়া নির্বাচনি সহায়তা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি সেল গঠন করা হয়েছে। সেলটি ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :