1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা শিবালয়ে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের কমিটি গঠন শিবালয়ের যমুনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দ্বন্ধে গুলিতে নিহত ১, আহত ১ ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই’ মানিকগঞ্জে জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন জামিলুর রশিদ খান ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের মেয়াদ চার বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করার বিষয়ে আলোচনা পুলিশের সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল গ্রেফতার নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠক করেছেন দৌলতদিয়ায় বাসডুবির ঘটনায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা শিশু হামের টিকা পেয়েছে কিনা তা জানার উপায়

জলবায়ু পরিবর্তনে বৈশ্বিক উষ্ণতা বেড়েছে

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২
  • ৪০৮ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গত আট বছরে বৈশ্বিক উষ্ণতা রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে বলে রোববার (৬ নভেম্বর) জাতিসংঘ এক প্রতিবেদন পেশকালে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন। তিনি জানান, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) বলেছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, হিমবাহ গলে যাওয়া, মুষলধারে বৃষ্টি এবং তাপপ্রবাহ মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি করে; এগুলো দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে।

গুতেরেস বলেছেন, যখন কপ ২৭ সম্মেলন চলছে তখন প্রতিবেদনে জলবায়ু পরিবর্তনের এ চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।

মিশরে জড়ো হওয়া প্রায় ২০০টি দেশ তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি এখন সেই মাত্রায় ধরে রাখার মতো অবস্থায় নেই। অর্থাৎ ১৯ শতকের শেষের দিকের স্তরের (১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস) উপরে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বৈশ্বিক উষ্ণতা সীমাবদ্ধ করতে হবে এবং এ জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস নির্গমন ৪৫ শতাংশ কমাতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯ শতকের শেষের দিক থেকে পৃথিবী ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি উষ্ণ হয়েছে। ডব্লিউএমও প্রধান পেটেরি তালাস বলেছেন, ‘উষ্ণায়ন যত বেশি হবে, প্রভাব তত খারাপ হবে।’

এদিকে মিশরের শারম-আল-শেখে রোববার (৬ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে ২৭তম জলবায়ু সম্মেলন বা কনফারেন্স অব পার্টিজ-২৭ বা কপ-২৭। গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোসহ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়নে এই সম্মেলন তাৎপর্যপূর্ণ।

বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার থেকে সরে আসা, ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণের মতো ইস্যুতে গত বছর কপ-২৬ সম্মেলন ঘিরে ছিল অনেক প্রত্যাশা। তবে, দিন শেষে প্রত্যাশার চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লা ছিল ভারী। এরই জেরে পরিবেশবাদী আন্দোলনকারী গ্রেটা থানবার্গ জলবায়ু সম্মেলনকে ফাঁপা প্রতিশ্রুতি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

চলতি বছর বিশ্বব্যাপী বৈশ্বিক উষ্ণতা আরও বেড়েছে। ইউরোপের দেশগুলো এ বছরের শুরু থেকেই ভয়াবহ দাবানল, দাবদাহের কবলে পড়ে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখনও উল্লেখযোগ্য হারে গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে এবারের সম্মেলন কতটুকু সফল হবে তা নিয়ে শঙ্কা জানিয়েছেন সমাজকর্মী ও পরিবেশবিদরা।

উন্নত হওয়ায় তীব্র দাবদাহের কবলে পড়লেও সামাজিক ও আর্থিকভাবে হয়তো খুব বেশি ক্ষতি হয়নি ইউরোপের। তবে আফ্রিকা, বাংলাদেশ কিংবা পাকিস্তানের মতো দেশে বন্যা বা দাবদাহ দেখা দিলে সেখানকার মানুষের জন্য তা ভয়ংকর দুর্দশার।

 

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :