1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে হার্ডওয়ার কারখানার শ্রমিকদের ঢাকা-পাটুরিয়া মহাসড়ক অবরোধ শিবালয়ে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ শিবালয়ে মোবাইল কোর্ট ২৬হাজার টকা জরিমানা শিবালয়ে এই প্রথমবার জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত  শিবালয়ে রাস্তা উন্নয়ন কাজে বাঁধায় মানববন্ধন অবশেষে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে সমাধান শিবালয়ে দুই বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি’র সভাপতি হলেন মো.শহীদুর রহমান শিবালয়ে মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা শিবালয়ে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে গেল বাস ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী

ইউরিক অ্যাসিডের কারণে কিডনিতে পাথর হয়

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৩৬৩ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: আমাদের শরীরের ৭০ ভাগই পানি। আর এই পানিকে পরিশুদ্ধ করে রক্তের প্রবাহে অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক রাখতে কাজ করে কিডনি। তবে কিডনিতে পাথর হলে এই কাজ অনেকটাই বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

বৃক্ক বা কিডনি মেরুদণ্ডী প্রাণিদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা দেহের রেচনতন্ত্রের প্রধান অংশ। এর প্রধান কাজ রক্ত ছেঁকে বর্জ্য পদার্থ (যেমন ইউরিয়া) পৃথকীকরণ ও মূত্র উৎপাদন। কিন্তু শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলেও কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অনেকেই মনে করেন, শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে তা কেবল শরীরের বিভিন্ন স্থান ও জয়েন্টের ব্যথার কারণ হয়ে ওঠে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন অনেক রোগীর ক্ষেত্রেই এই ইউরিক অ্যাসিড শুধু ব্যথার কারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, তা কাজ করতে শুরু করে কিডনিতে পাথর তৈরিতেও।

গবেষকরা বলছেন, শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গিয়ে তা যদি ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং ব্যথার স্থানে ফোলাভাব ও লালচে রং হতে শুরু করে তাহলে রোগীকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।

এ বিষয়ে ভারতের আমরি হাসপাতালের বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: রুদ্রজিৎ পাল বলেন, কিডনিতে পাথর হওয়ার মধ্যে একটি অন্যতম কারণ হলো ইউরিক অ্যাসিড।

তিনি আরও বলেন, কিডনিতে পাথর জমলে রোগীর মধ্যে ব্যথার লক্ষণই প্রথমে ধরা পড়ে। আর তা হলো পেট কিংবা পিঠে ব্যথা। তবে এই ব্যথা অন্যসব ব্যথার তুলনায় আলাদা। কিডনি সমস্যায় অনেক সময় ইউরিনের সঙ্গে রক্ত বের হতে পারে। তবে আরও গভীরে রোগ ছড়িয়ে পড়লে কিডনির পাথর ধীরে ধীরে ইউরিনের রাস্তাতেও জমতে শুরু করে।

সাধারণত ইউরিনে ইনফেকশান, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করা, দীর্ঘক্ষণ প্রসাব আটকে রাখার কারণে হয়ে থাকে। এছাড়া কেমোথেরাপি বা অন্য কোনো কারণে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে কিডনিতে পাথর জমে।

আরও পড়ুন: ডিমলা প্রেসক্লাবের ৩৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

তবে কিডনিতে পাথরের অবস্থান ও ধরন বোঝার জন্য চিকিৎসকরা আরও কিছু সময় অপেক্ষা করেন। কিডনিতে পাথরের ধরন ছোট হলে ওষুধ ও পর্যাপ্ত পানি গ্রহণের মাধ্যমে ট্রিটমেন্ট শুরু করেন চিকিৎসকরা। আর কিডনিতে পাথরের ধরন বড় হলে দেরি না করে চিকিৎসকরা কিডনির পাথর অপসারণের জন্য সার্জারির সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :