নিজস্ব প্রতিনিধি:মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে গেলে, তাকে ঢাকার দোহার উপজেলায় নিয়ে যায় অবৈধ বালু চোরেরা।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটায় হরিরামপুর উপজেলার ধূলসুড়া ইউনিয়ন এলাকার পদ্মা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত)তাপসী রাবেয়া বলেন, উর্ধ্বতন স্যারদের অনুমতি নিয়ে অবৈধ বালু ব্যাবসায়ীদের ধরতে তিনজন পুলিশ সদস্য, আনসারসহ একটি টিম নিয়ে হরিরামপুর উপজেলার ধূলসুড়া পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে যাই। ওখানে গিয়ে দেখি হরিরামপুর উপজেলার সীমনায় এসে অবৈধভাবে বালু কাটছে দোহারের বালু ব্যাবসায়ীরা।এসময় অবৈধ বালু ব্যাবসয়ীদের ড্রেজার ও বাল্কহেড জব্দ করি। পরে ড্রেজার ও বাল্ক হেড আনার সময় দোহার থেকে স্পীড বোট ও নৌকা নিয়ে দেড় শতাধিক লোক আমাদেরকে ঘিরে ফেলে।
এসময় ড্রেজার (বালু কাটার) তারা নিয়ে যায়। তবে বালু ভর্তি বাল্কহেড আমি ছাড়িনি। বাল্কহেডসহ তারা আমাদেরকে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাট এলাকায় নিয়ে যায়।পরে মানিকগঞ্জের ডিসি স্যার ঢাকা জেলার ডিসি স্যারকে জানালে দোহারের এসিল্যান্ড মৈনট ঘাটে আসেন।আমি দোহারের এসিল্যান্ডকে বাল্কহেড বুঝিয়ে দিয়ে হরিরামপুর চলে আসছি।
দোহারের এসিল্যান্ড এসএম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে মৈনট ঘাটে যাই। হরিরামপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মহোদয় একটি বাল্কহেড মৌখিকভাবে দিয়ে যান। তবে বাল্ক হেড লিখিতভাবে বুঝিয়ে দেননি। সিনিয়র স্যারদের সাথে কথা বলে বাল্ক হেডের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শাহজাহান বিশ্বাস
অফিস : আরিচা, শিবালয়, মানিকগঞ্জ-১৮০০
মোবাইল : +৮৮০ ১৭১১ ৭৩৩ ৬৫১, ই-মেইল : sbnews74@gmail.com