
অনলাইন ডেস্ক: বর্তমানে বিশ্বের ১৯৫টি দেশ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশনের (ইন্টারপোল) সদস্য। এটি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এ সংস্থার প্রধান কাজ বিভিন্ন দেশের পুলিশকে সহায়তা করা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়ের কাজও করে থাকে ইন্টারপোল। এর সদর দফতর ফ্রান্সের লিয়োঁ শহরে।
ইন্টারপোলের কাছে প্রত্যর্পণ, আত্মসমর্পণ বা অনুরূপ আইনি পদক্ষেপের জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে এবং সাময়িকভাবে গ্রেফতার করার জন্য ইন্টারপোল রেড নোটিস জারি করে। রেড নোটিস হলো এক ধরনের অনুরোধ। অনুরোধকারী দেশের বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা আদালতের আদেশের ওপর ভিত্তি করে এই রেড নোটিস জারি করা হয়।
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক শহীদুল ইসলাম সোমবার সময়ের আলোকে বলেন, কারও নামে মামলা থাকলে সদস্য দেশের সরকার ইন্টারপোলে ডকুমেন্ট পাঠালে রেড নোটিস জারি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে দুই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট বা তথ্যাদি পাঠাতে হয়। প্রথমমত কাক্সিক্ষত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার জন্য তাদের মামলার কপি, নাম, জন্মতারিখ, জাতীয়তা, চুল এবং চোখের রং, ছবি এবং আঙুলের ছাপ (যদি পাওয়া যায়)। যে অপরাধের জন্য সন্ধান সে সম্পর্কিত তথ্য। সাধারণত খুন, ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন বা সশস্ত্র ডাকাতি হতে পারে।
তিনি বলেন, রেড নোটিস বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে সন্ধান চাওয়া পলাতক ব্যক্তিদের সম্পর্কে ইন্টারপোলের সব সদস্য দেশের পুলিশকে একসঙ্গে সতর্ক করতে রেড নোটিস ব্যবহৃত হয়। রেড নোটিস পলাতকদের বিচারের আওতায় আনতে সাহায্য করে, কখনো কখনো মূল অপরাধ সংঘটিত হওয়ার বহু বছর পরও অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়। এ জন্য যেসব দেশের অপরাধীরা পলাতক থাকে সেই দেশের সঙ্গে সমঝোতা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে গ্রেফতার করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শাহজাহান বিশ্বাস
অফিস : আরিচা, শিবালয়, মানিকগঞ্জ-১৮০০
মোবাইল : +৮৮০ ১৭১১ ৭৩৩ ৬৫১, ই-মেইল : sbnews74@gmail.com