
অনলাইন ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারপর্বের শুরুতে কোচবিহারকে বেছে নিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সোমবার কোচবিহার ১ নং ব্লকে চান্দামারি এলাকা থেকে প্রচারের শুরুতেই তিনি নিশানা করলেন ভারতের সীমান্তরক্ষী বিএসএফ-কে।
এ জেলাতেই একাধিকবার বিএসএফের গুলিতে নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেসব ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণ, ‘গুলি করা যেন অধিকার হয়ে উঠেছে। আমার কাছে খবর আছে, সীমান্ত পাহারা দেয়ার নামে লোকজনকে ভয় দেখাচ্ছে, অত্যাচার করছে। কিন্তু আমি বলছি, কেউ ভয় পাবেন না। পুলিশে খবর দিন।’ এদিন তার সভামঞ্চে হাজির ছিলেন বিএসএফের গুলিতে নিহত যুবকের পরিবার। তাদের সঙ্গে নিয়েই বিএসএফকে কড়া বার্তা দিলেন তৃণমূল নেত্রী।
উত্তরবঙ্গ থেকে পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে নেমেছেন নেত্রী। সোমবার চান্দামারির সভামঞ্চে বিএসএফের গুলিতে নিহত যুবকের পরিবারের সদস্যদের হাজির করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘তৃণমূল এদের পাশে আছে, থাকবে। পুলিশকে বলেছি, এদের নিরাপত্তার দিকটা খেয়াল রাখতে।’ মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, ভরসা পেয়ে তখন তাদের চোখেও যেন কৃতজ্ঞতার অশ্রু।
এরপরই বিএসএফের ‘অতি সক্রিয়তা’ ঠেকাতে মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, ‘সবাইকে বলছি, বিএসএফ ভয় দেখালে ভয় পাবেন না। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে জানান। আর কোথাও গুলি চললে পুলিশ যেন গ্রেপ্তার করে। কাউকে ছাড়া হবে না। সীমান্তরক্ষার নামে বাড়াবাড়়ি চলবে না। এনিয়ে কেন্দ্রের কাছেও বারবার বলা হয়েছে। বিএসএফ কেন গ্রামে ঢুকে নিরীহদের উপর অত্যাচার করবে? গুলি করাটা যেন অধিকারের মধ্যে পড়ে। কেউ এসব মেনে নেবেন না।’ বিজেপির বিরুদ্ধেও সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের উদ্দেশে স্থানীয় ভাষা ব্যবহার করে তার বার্তা, ‘বিজেপি ভয় দেখাতে এলে হাতা-খুন্তি নিয়ে তাড়া করুন।’
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শাহজাহান বিশ্বাস
অফিস : আরিচা, শিবালয়, মানিকগঞ্জ-১৮০০
মোবাইল : +৮৮০ ১৭১১ ৭৩৩ ৬৫১, ই-মেইল : sbnews74@gmail.com