অনলাইন ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে নির্ধারিত ফি নিয়ে নতুন আরও ১৩২টি হাসপাতালে ইন্সটিটিউশনাল প্র্যাকটিস (বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা) শুরু হয়েছে।
এ ধাপে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ ঢাকা বিভাগে রয়েছে ২৪টি হাসপাতাল। গত ৩০ মার্চ দেশের ৫১টি সরকারি হাসপাতালে এই বৈকালিক সেবা চালু করে সরকার। এই নিয়ে ১৮৩টি সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চালু হলো।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ হাসপাতালগুলোর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।
গত ২৭ মার্চ সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা চালুর ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরে ৩০ মার্চ বৈকালিক সেবা চালু করে করা হয়। তখন মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৈকালিক এই স্বাস্থ্যসেবায় অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সিনিয়র কনসালটেন্টরাও রোগী দেখবেন। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইন্সটিটিউটশনাল প্র্যাকটিসকে জনগণ ভালোভাবে নিয়েছে। চিকিৎসকরাও এ পদ্ধতিতে খুশি। যেহেতু এ প্রক্রিয়া ফলপ্রসূ হয়েছে এবং চাহিদা বাড়ছে সেহেতু আরও ১৩২টি হাসপাতালকে ইন্সটিটিউটশনাল প্র্যাকটিসের আওতায় আনছি। আমরা চেষ্টা করব নতুন এসব প্রতিষ্ঠানে আরও ভালো মানের সেবা নিশ্চিত করতে। আগামীতে এ সেবার মাধ্যমে আমাদের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ইনস্টিটিউশনাল প্রাকটিস চালু হওয়া ৫১টি হাসপাতালে গত দুই মাসে যারা চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন তাদের মধ্যে ৭২৫ জনের সার্জারি হয়েছে। ইনভেস্টিগেশন হয়েছে ৪ হাজার ১৪০ জনের। এতে ফি হিসেবে পাওয়া গেছে ৫১ লাখ টাকা।
জানা গেছে, নতুন করে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা চালু হওয়া হাসপাতালের মধ্যে অন্যতম ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় অর্থপেডিকস হাসপাতাল এবং জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল।
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে জাহিদ মালেক বলেন, এখন পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৩৯০ জন রোগী পেয়েছি। এর মাঝে ঢাকার বাইরে ৮২৮ জন। ঢাকার সিটি করপোরেশনের মাঝে ২ হাজার ৫৬২ জন রোগী রয়েছে। এছাড়া সারা দেশে বাকি ৭০০ রোগী। আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চট্টগ্রামে। এ পর্যন্ত মোট ২৬ জন রোগী মারা গেছেন। এদের ডেঙ্গু শক সিনড্রোম ও ডেঙ্গু বাহিত হেমারেজে মারা গেছে।
দেশে কোভিড ভ্যাকসিন সম্পর্কে বলেন, আমরা প্রথম ডোজ ১৫ কোটি ৭ লাখ মানুষকে ভ্যাকসিন দিতে পেরেছি, ২য় ডোজ ১৪ কোটি মানুষকে দিয়েছি, প্রথম বুস্টার ডোজ ৬ কোটি ৭৫ লাখ মানুষকে এবং দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ ৩২ লাখ মানুষকে দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৩৬ কোটি ২১ লাখ ডোজ টিকা দিতে পেরেছি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শাহজাহান বিশ্বাস
অফিস : আরিচা, শিবালয়, মানিকগঞ্জ-১৮০০
মোবাইল : +৮৮০ ১৭১১ ৭৩৩ ৬৫১, ই-মেইল : sbnews74@gmail.com