
অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে বুধবার ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রকাশের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। পাস হওয়া প্রস্তাবে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধানকে ধর্মীয় বিদ্বেষ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোকে ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে ওই প্রস্তাবে। পশ্চিমা দেশগুলো অবশ্য এই প্রস্তাব পাস হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা মনে করছে, মানবাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করতে পারে এই প্রস্তাব।
গত মাসে সুইডেনের এক মসজিদের সামনে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন পুড়িয়ে দেয় এক ব্যক্তি। এ ঘটনার জেরে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) ৫৭টি দেশের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ওই রেজ্যুলেশন উত্থাপন করে পাকিস্তান। ২৮ দেশ রেজ্যুলেশনের পক্ষে ভোট দিয়েছে। যেখানে বিপক্ষে পড়েছে মাত্র ১২টি ভোট। সাত দেশ ভোট প্রদান থেকে বিরত থেকেছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে বর্তমানে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর প্রভাব অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। বুধবারের ভোটে তাই পশ্চিমা দেশগুলোকে বেশ বড় হার দেখতে হয়েছে।
পাস হওয়া প্রস্তাবে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সরকারকে নিজ নিজ দেশে বিদ্যমান আইন পর্যালোচনা করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিদ্যমান আইনে ‘ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রতিরোধ, তার বিচার এবং ধর্মীয় বিদ্বেষ সমর্থনে বাধা সৃষ্টি করতে যথেষ্ট কি না’ তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। আইনে বিদ্বেষ প্রতিহত করার ক্ষেত্রে যদি কোনো ফাঁক থাকে তবে তা পূরণ করতে বলা হয়েছে।
কঠোরভাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিল। তাদের যুক্তি ছিল, ওই প্রস্তাব মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কাউন্সিলে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি মিশেল টেইলর ভোটের যে ফলাফল এসেছে তাতে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘উদ্যোগটি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে কি না সেটা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন।’
আমি আরেকটু সময় নিয়ে, আরেকটু খোলামেলা আলোচনায় বিশ্বাসী। এই প্রস্তাব নিয়ে কীভাবে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সামনে অগ্রসর হওয়া যায় সেটা নিয়েও আমাদের ভাবতে হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শাহজাহান বিশ্বাস
অফিস : আরিচা, শিবালয়, মানিকগঞ্জ-১৮০০
মোবাইল : +৮৮০ ১৭১১ ৭৩৩ ৬৫১, ই-মেইল : sbnews74@gmail.com