1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আজ শুরু হচ্ছে পোস্তগোলা সেতু সংস্কার কাজ শুরু, যানজট এড়াতে বিকল্প পথ ব্যবহারের আহ্বান সুন্নাতে খৎনা করাতে গিয়ে আবারো শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক গ্রেফতার মানিকগঞ্জে দুর্লভদী প্রিমিয়ার লীগ (DPL) শুরু শিবালয়ে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন মানিকগঞ্জে এনপিআই ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর জাতীয় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন মানিকগঞ্জে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শিবালয়ে জাফরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে নিয়মিত কোলেস্টেরল চেক করা জরুরি

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৪৯ বার পড়েছেন

অনলাইন হেল্থ ডেস্ক: কোলেস্টেরল এক ধরনের মোম জাতীয় পদার্থ। এটা শরীরের জন্য প্রয়োজন। কিন্তু রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি হয়ে গেলেই মুশকিল। তখন রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যায়। রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটে। কখনো কখনো মোম জাতীয় কোলেস্টেরল ভেঙে গিয়ে ছোট পিণ্ডের মতো তৈরি হয়। তখনই হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ে।

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা একবার বেড়ে গেলে তাকে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা কঠিন। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোলেস্টেরল বেড়েছে কিনা সেটা প্রথম দিকে বোঝাই যায় না, যতক্ষণ না বাড়াবাড়ি হচ্ছে। তাই কোলেস্টেরলকে চোখে চোখে রাখার একমাত্র উপায় হলো, নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা।

কোন বয়স থেকে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত

আমেরিকান হার্ট অ্যা সোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০ বছর বয়স থেকেই কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত। মুম্বইয়ের কার্ডিওলজিস্ট প্রবীণ কুমারের কথায়, ‘৯ বছর বয়সেই একবার রক্তে লিপিডের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত। তারপর ১৭ থেকে ২০ বছর বয়সে ফের একবার পরীক্ষা করে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়’।

চিকিৎসকরা বলছেন, নিয়মিত সময়ের ব্যবধানে কোলেস্টেরল পরীক্ষা করানোটা অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতের শহুরে জনগোষ্ঠীর ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন। সমীক্ষা অনুসারে, গত ২০ বছরের মধ্যে মোট কোলেস্টেরল, এলডিএল কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা শহুরে জনগোষ্ঠীর মধ্যে বেড়েছে।

বয়স অনুযায়ী কোলেস্টেরলের আদর্শ মাত্রা কত

১৯ বছর বয়স পর্যন্ত, মোট কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ১৭০ মিলিগ্রামের নিচে থাকা উচিত। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা ২০০-এর কম। মাত্রা ২০০ থেকে ২৩৯-এর মধ্যে ঘোরাফেরা করলে সতর্ক হতে হবে।

রক্তে কোলেস্টেরলের রিপোর্ট কীভাবে দেখতে হয়

কোলেস্টেরলের মধ্যে রয়েছে এইচডিএল বা উচ্চ ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন, এলডিএল বা কম ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন এবং ট্রাইগ্লিসারাইড। এলডিএলকে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়, এইচডিএল হলো ভালো কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড, যা ক্ষতিকারক হিসাবে বিবেচিত না হলেও হৃদরোগের সঙ্গে যুক্ত। রক্তে বিভিন্ন কোলেস্টেরলের মাত্রা নির্ধারণের জন্য একটি সম্পূর্ণ কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা হয়। কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে মিলিগ্রাম বা এমজি/ডিএল হিসেবে পরিমাপ করা হয়।

রক্তের মোট কোলেস্টেরলের মাত্রা যখন ২০০-এর নিচে থাকে, তখন এটি স্বাভাবিক বলে বিবেচিত হয়। বর্ডারলাইন কোলেস্টেরল হল যখন রিডিং ২০০ থেকে ২৩৯-এর মধ্যে হয়। ২৪০-এর উপরে কোলেস্টেরলকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এলডিএল-এর স্তর সবচেয়ে বড় নির্ধারক। এলডিএল-এর স্বীকৃত মাত্রা ১০০-এর নিচে এবং যাদের করোনারি আর্টারি ডিজিজ রয়েছে তাদের জন্য ডাক্তাররা এটি ৭০-এর নিচে রাখার পরামর্শ দেন। একই ভাবে, ট্রাইগ্লিসারাইড এবং এইচডিএল-এর স্বাভাবিক মাত্রা যথাক্রমে ১৪৯ এবং ৪০-এর নিচে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :