1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঈদের প্রস্তুতি দেখতে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে নৌপ্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে জাতীয় কবিকাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে মটরসাইকেল ও ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিতে শিবালয়ে নানা আয়োজন শিবালয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধ প্রতিবাদ সভা পশুর হাটসহ আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে-ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে র‌্যাব শিবালয়ে মাদকসহ অন্যান্য মামলায় ১২জন আটক মানিকগঞ্জে মানবপাচার প্রতিরোধে লিগ্যাল এইড কমিটির বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এবার ঈদে অব্যবস্থাপনা হলে প্রথমে ওই জায়গার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শিবালয়ে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জরিমানা

বেহুলার বাসরঘর ইতিহাসের এক অন্যতম নিদর্শন

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২২
  • ৫৯৯ বার পড়েছেন

অনলাইন ভ্রমণ ডেস্ক: বগুড়া শহর থেকে ১১ কিলোমিটার উত্তর-দক্ষিণে আর মহাস্থানগড়ের কাছে গোকুল, রামশহর ও পলাশবাড়ি গ্রামের সংযোগস্থলেই রহস্যময় ও বিস্ময়কর ‘তিন কোণ’ বিশিষ্ট স্থাপত্য বেহুলার বাসরঘরের অবস্থান।

স্থাপত্যটি গোকুল মেধ বা লক্ষীন্দরের মেধ বলেও পরিচিত। স্থানীয়রা এই নিদর্শনাকে বেহুলার বাসরঘর বলে থাকলেও ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ববিদদের মতে, এটি একটি প্রচীন বৌদ্ধ মঠ।

প্রাচীন বাংলার সুবিখ্যাত মঙ্গলকাব্য মনসামঙ্গলের প্রধান চরিত্র এবং চাঁদ সওদাগরের পুত্র লখিন্দরের স্ত্রী বেহুলা। অনেকেই বলে থাকেন, এখানেই হয়েছিলো বেহুলার বাসর। যা সেনযুগেরও অনেক আগে। তবে বর্তমানে গবেষকদের মতে, এটি ৮০৯ থেকে ৮৪৭ খৃস্টাব্দে দেবপাল নির্মিত একটি বৌদ্ধমঠ।

কিংবদন্তির গল্পগাথা যে বেহুলা-লখিন্দরকে নিয়ে, সেই বেহুলা ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বিনসাড়া গ্রামের মেয়ে। ওখানকার ঐতিহাসিক এক জমিদার বাড়ির দুলালী কন্যা ছিলেন অনিন্দ্য রূপে -গুণের অধিকারিণী বিশ্বনন্দিত বেহুলা। ষোড়শ শতাব্দীর প্রাচীন লোককাহিনীর সতী-সাবিত্রী কিংবদন্তির নায়িকা বেহুলা সুন্দরীর বাবার নাম বাছোবানিয়া ওরফে সায় সওদাগর। সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আছে বেহুলার পৈতৃক ভিটায় জীয়নকূপ। আর বগুড়ার গোকূলে যুগের পর যুগ পাড়ি দিয়ে টিকে আছে তার বাসরঘর।

বেহুলার বাসরঘর বা এই বৌদ্ধমঠটি মূলত একটি উঁচু ইটের স্তূপ। এর উচ্চতা প্রায় ১৩ মিটার বা ৪৫ ফিট। ১৯৩৪-৩৬ সালের প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে এখানে বিভিন্ন মাপের ১৭২টি কুঠুরি আবিষ্কৃত হয়। কক্ষগুলো দেখতে তিন কোণের মতো। স্তূপটির পশ্চিম অংশে আছে বাসরঘরের প্রবাদ স্মৃতিচিহ্ন। পূর্বে ২৪ কোণ বিশিষ্ট চৌবাচ্চাসদৃশ একটি স্নানাগার। স্নানাগারের মধ্যে আবার ৮ ফুট গভীর কূপ। এটি নির্মাণ করা হয়েছিল পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানীকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য।

প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই স্থানটি পরিদর্শন করে থাকেন। এটির সাথে যে মিথ বা কিংবদন্তী জড়িয়ে আছে যে বেহুলার বাসরগর, সেটিও পর্যটকদেরকে ব্যাপকভাবে আকর্ষণ করে। সবকিছু ছাপিয়ে প্রচীনকাল থেকেই লোকমুখে পরিচিত লোককথার সেই মনাসামঙ্গল কাব্যের বেহুলার বাসর হিসেবেই। বগুড়ার মহাস্থানগড় দেখে ফিরবার পথেই বেহুলার বাসর ঘর দেখে ফিরতে পারবেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :