1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হরিরামপুরের ভাদিয়াখোলা ডেবোনেয়ার গ্রুপের শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শিবালয় থানার ওসি মনির হোসেন শিবালয়ে কাটছেনা গ্যাস সংকট গ্রাহকদের দুর্ভোগ চরমে মানিকগঞ্জে ভলিবল প্রতিযোগিতায় শিবালয় উপজেলা চ্যাম্পিয়ন শিবালয়ে পাওয়ার গ্রিডে ডাকাতি লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার শিবালয়ে প্রশাসনের অভিযান গ্যাস ব্যাবসায়ীকে জরিমানা শিবালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত শ্রমিকলীগ ও যুবলীগের ২ নেতা আটক ঘণকুয়াশায় আরিচা-কাজিরহাট ফেরি সার্ভিস বন্ধ, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে সাড়ে ৬ঘন্টা পর চালু শিবালয়ে শীতার্ত মানুষের মাঝে সরকারি কম্বল বিতরণ শিবালয়ে মহাদেবপুর ইউনিয়ন সরকারি কলেজের এই প্রথম কলেজ বাস সার্ভিস চালু

পিয়াসোনা দ্বীপে এক নারী ছাড়া, বাকিরা সবাই সাজাপ্রাপ্ত আসামি

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩১০ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: তার নাম জুলিয়া মানাক। ঠিকানা ইতালির পিয়াসোনা দ্বীপ। একসময় এ দ্বীপটিকে কারাগার হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এখন এটি অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র। এমনই ওই দ্বীপে থাকেন জুলিয়া। তাহলে জুলিয়াও কি অপরাধী? না, তার জীবনকাহিনী বলছে অন্য গল্প।

২০১১ সালে ওই দ্বীপে প্রথমবার পা রাখেন জুলিয়া। ওঠেন সৈকতের একটি হোটেল। ঠিক করেন কিছুদিন ওই দ্বীপে থাকবেন। তারপর ফিরে যাবেন। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই তার সিদ্ধান্ত একেবারেই বদলে যায়। দ্বীপটির স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে গেলেন জুলিয়া।

হোটেলটি দেখাশোন করতেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা। বর্তমানে ওই হোটেলটির দেখাশোনা ও দ্বীপে অপরাধীদের পুনর্বাসন কর্মসূচি দেখাশোনা করেন। সংবাদমাধ্যমে জুলিয়া জানিয়েছেন, দ্বীপে অসাধারণ একটা ছুটি কাটিয়েছিলাম। অপরাধীদের পুনর্বাসন প্রকল্প দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। বন্দিরা দ্বিতীয়বার বাঁচার সুযোগ পায় এখানে। সবকিছু দেখে দ্বীপের প্রেমে পড়ে যাই। এখানকার তারকাখচিত আকাশ, অসীম জলরাশি সবকিছু প্রেমে পড়ে যাই।

ইতালিরা এই দ্বীপটি একসময় ‘শয়তানের দ্বীপ’ হিসেবে নাম করেছিল। সেই দ্বীপেই থাকছেন জুলিয়া। এখন সেটি বহু পর্যটকের গন্তব্য পরিণত হয়েছে। দ্বীপটিতে স্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্যে জুলিয়া ছাড়াও রয়েছেন একজন কারারক্ষী ও ১০ সাজাপ্রাপ্ত আসামি।

যে বছর দ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন ওইসময় হোটেলের কর্মীরা তাকে বলেন, আর্থিক সমস্যায় ভুগছে হোটেলটি। তেমনটা হলে হোটেলের কর্মীদের ফের কারাগারে ফেরত পাঠাতে হবে। ওই কথা শুনেই হোটেল কর্মীদের দায়িত্ব নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন জুলিয়া। হোটলটিকে তিনি প্রথমে জন্মদিন ও বিয়ের পার্টির জন্য ভাড়া দিতে থাকেন। তাতেই পরিস্থিতি বদলে যায়। সপ্তাহে এক দিন দেশে যান জুলিয়া। কাজ শেষে ফেরে ফিরে আসেন পিয়সোনায়। অপরাধীরাই এখন হোটেল চালান। সবকিছুই চলছে ঠিকঠাক। সূত্র : জি নিউজ

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :