
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবসায়ীদের দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সরকার সবসময় তাদের পাশে আছে।
তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করুন। আমরা সব সময় আপনাদের (ব্যবসায়ীদের) পাশে আছি।’
শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) আয়োজিত বিজনেস কনফারেন্স অন বিল্ডিং স্মার্ট বাংলাদেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্ভাবনী ধারণা কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বাড়াতে নতুন বাজার ও পণ্য খুঁজে বের করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ জন্য সরকার সর্বদা তাদের পাশে থাকবে। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো কোনো ব্যবসায়ীকে তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দেখে বিচার করে না। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমরা সব সময় দেশের মানুষের কল্যাণের কথা ভাবি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নির্বিশেষে সরকার সবাইকে সুযোগ দিয়েছে যা, দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইনকিউবেটর সেন্টার তৈরি করে কম্পিউটার ট্রেনিং দেওয়া শুরু করেছি। তাছাড়া স্কুল লেভেল থেকে কম্পিউটার ল্যাব করে দিচ্ছি, সেখানে ট্রেনিং দিচ্ছি। পাশাপাশি ন্যানো টেকনোলজির জন্য একটি আইনও করে দিয়েছি। ন্যানো টেকনোলজি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছি। আইন ইতিমধ্যে কেবিনেটে অনুমোদন দিয়েছি। দ্রুতই আইন পার্লামেন্টে পাস করে দেব। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযুক্ত স্মার্ট জনগোষ্ঠী যেন গড়ে ওঠে সেজন্য এসব পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি।
সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের দেশের জনগণ হবে স্মার্ট সিটিজেন, আমাদের ইকোনোমি হবে স্মার্ট ইকোনমি, আমাদের সমস্ত গভর্নমেন্টকে আমরা স্মার্ট গভর্নমেন্ট করতে চাই, পাশাপাশি আমাদের সমাজ হবে স্মার্ট সোসাইটি। এভাবে বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ২০০৮ সালে ঘোষণা দিয়েছিলাম, দিন বদলের সনদ, রূপকল্প ২০২১। আমরা তা বাস্তবায়ন করেছি। ফলে আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। এখন আমরা শিল্প কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষিসহ সকল ক্ষেত্রে স্মার্ট ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করতে চাই। সে ক্ষেত্রে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি, রোবোটিক, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ন্যানো টেকনোলজি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিজিটাল ডিভাইসে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান। স্বাগত বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব প্রয়োজন। তিনি বলেন, ব্যবসা, উন্নয়ন ও দেশের অগ্রগতির জন্য শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হবে।
এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, আবদুল মাতলুব আহমদ, মীর নাসির হোসেন ও কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতির সভাপতি মির্জা নুরুল গনি শোভন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি (বায়রা)’র মোহাম্মদ আবুল বাশার, বেসিস সভাপতি রাসেল টি. আহমেদ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি শেখ নাসির উদ্দিন, বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি নিহাদ কবির, চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বারের সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী, এমসিসিআই সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বিটিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের (বিএপিআই) সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল মুক্তাদির, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, এইচএসবিসি বাংলাদেশের সিইও মো. মাহবুব-উর রহমান, এফআইসিসিআই সভাপতি নাসের ইজাজ বিজয়, বাংলাদেশ নারী শিল্প ও বণিক সমিতির (বিডব্লিউসিসিআই) সভাপতি সালিমা আহমেদ, জেবিসিসিআই সভাপতি মিউং-হো লি, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান ইন্ডিটেক্স-এর আঞ্চলিক প্রধান জাভিয়ের কার্লোস সান্তোজা ওলসিনা, বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএ সভাপতি একেএম সেলিম ওসমান, বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম, সাবেক এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বারস অব কমার্স বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ডিসিসিআই সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তার, এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বক্তৃতায় সকল ব্যবসায়ী নেতারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি তাদের আস্থা ও আস্থা প্রকাশ করেন। তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য আগামী দিনে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব প্রয়োজন।
ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড বিশেষ করে মেগা প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন যা গত সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিকে নজিরবিহীনভাবে বদলে দিয়েছে।
শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। সকল রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখতে সরকারের ধারাবাহিকতা চান।
সম্মেলনের শুরুতে এফবিসিসিআইয়ের ৫০ বছর এবং এই যাত্রায় দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নের অবদানের ওপর একটি থিম সং পরিবেশিত হয়। বাংলাদেশ বিজনেস সামিট-২০২৩-এর ফলাফলের ওপর একটি অডিও-ভিজ্যুয়ালও প্রদর্শিত হয়। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ বিজনেস সামিট-২০২৩-এর ফলাফল সংকলন করে তৈরি করা প্রতিবেদনও উন্মোচন করেন।
এদিকে এফবিসিসিআই আয়োজিত ব্যবসায়ী সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা ও শিল্পপতিরা আবারও শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান বলে অভিমত দিয়েছেন। এ বিষয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আপনি (প্রধানমন্ত্রী) যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে আসছেন, আমাদের (ব্যবসায়ীদের) যে অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে, সেটিকে ধরে রাখার জন্য আপনাকে (প্রধানমন্ত্রীকে) প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের বিদ্যমান সমস্যাগুলো আপনার (প্রধানমন্ত্রীর) মাধ্যমে সমাধান করতে চাই। এজন্য সব ব্যবসায়ী ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। তারা সবাই আগামীতে আপনার নেতৃত্বে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধান করতে চাই।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সুতরাং আমরা মনে করি আপনাকে (শেখ হাসিনা) আমাদের প্রয়োজন। আপনাকে আবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকতে হবে। আমাদের জন্য, ব্যবসায়ীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী থাকতে হবে।’
বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান তর বক্তব্যে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানে আবারও সেই ওয়ান-ইলেভেনের সরকার। কেউ যদি আবার এ ধরণের সরকারের স্বপ্ন দেখে তাহলে সেটি প্রতিহত করার জন্য এই ব্যবসায়ীরাই যথেষ্ট। আমার মনে হয় সে স্বপ্ন দেখে আর কোনো লাভ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার তিন মেয়াদে দেশের উন্নয়নে কি কি কাজ করেছেন, তা বলতে গেলে সাত দিনেও শেষ করা যাবে না। তিনি প্রথমেই কাজ করেছেন আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতি নিয়ে। তিনি চিন্তা করেছেন গ্রামকে কিভাবে উন্নত করা যায়। গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নে তিনি ৫ কোটি মানুষকে ভাতা দিয়েছেন। বছরে ৫৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছেন অসহায়-দুস্থদের ভাতা দিয়ে। এর সবকিছু সুফল ভোগ করছেন আমাদের দেশের গ্রামীণ সাধারণ জনগণ।
এখানে যারা বক্তব্য রেখেছেন তাদের সকলেই বলছেন শেখ হাসিনা সরকার বারবার, আমি বলবো শেখ হাসিনার বিকল্প শুধু শেখ হাসিনাই। যেভাবে বঙ্গবন্ধুর বিকল্প শুধু বঙ্গবন্ধুই ছিলেন। আমরা যারা ব্যবসায়ী তারা চাই, সব সময় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করি, শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা করি এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই। একটা সময় দেশে আগুন সন্ত্রাস করেছে, এখন আবার মিটিং-মিছিলের নামে অস্থিরতা করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আমার অনুরোধ কেউ যেন জনজীবন বিপর্যস্ত করে রাজনীতি করতে না পারে। গণতন্ত্র মানে এই না, আপনি যা খুশি তাই করবেন। মানুষের জানমাল রক্ষা করতে হবে, অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটাতে হবে।
দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতার আলোকে দেশ পরিচালনায় শেখ হাসিনা যে কৃতিত্ব দেখিয়েছেন; সে বিবেচনায় আগামী দিনে তাকেই প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন আহমেদ আকবর সোবহান। এ সময় ব্যবসায়ীরা শেখ হাসিনার সঙ্গে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বসুন্ধরা চেয়ারম্যান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন, সে অনুযায়ী যদি আমরা এগিয়ে যাই তাহলে এদেশে গরিব মানুষ বলে কোনো শব্দ থাকবে না। আমাদের ১৭ কোটি মানুষ একটা শক্তি। এখানে একশভাগ মানুষ বর্তমান সরকার, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছেন। আমরা ব্যবসায়ীরা আছি। আজীবন আপনার সঙ্গে থাকবো, আমৃত্যু আপনার সঙ্গে থাকবো। কারণ, আপনার ব্যতিক্রম তো আপনি। আজ সারা দুনিয়ার চমক শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা সারা দুনিয়াকে আকৃষ্ট করতে পারেন। ইউরোপ-আমেরিকা-ভারত এবং কূটনীতির দিকে তিনি আমাদের দেশকে একটা মিডল অবস্থানে রাখছে। আমাদের সঙ্গে সবার ভালো সম্পর্ক। কারও সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক নেই। তার যে একটা অভিজ্ঞতা, ২০-২৫ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যে অভিজ্ঞতা, এটা আরেক জনের ২০ বছর লাগবে। সুতরাং আমাদের সার্বক্ষণিক উনার সেবা নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, ‘দেশীয় শিল্পের বিকাশ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। ফলে পরিবর্তনশীল বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে আধুনিকতার উৎকর্ষে বদলে যাবে বাংলাদেশ। আমি মনে করি, সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দিতে পারব সমৃদ্ধ সুন্দর বাংলাদেশ। বিশ্ব র্যাংকিয়ে নিজেদের অবস্থান করবো আরও উন্নত। সেজন্য শেখ হাসিনার সরকার, বারবার দরকার।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশের কৃষি ও অর্থনীতি এতদূর এগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহসান খান চৌধুরী। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের কৃষিখাত নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামের মতো উন্নত হবে।
আহসান খান চৌধুরী বলেন, বিগত করোনার সময় দেশের কৃষিখাত থেকে যদি সহায়তা না আসতো তাহলে এমন সম্মেলনে দাঁড়ানো আমাদের সম্ভব ছিল না। কৃষিতে অনেক কাজ হয়েছে, কারণ আপনার (প্রধানমন্ত্রীর) পরামর্শ ছিল যে, দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। আপনি নিজেও গণভবনে এর উদাহরণ আমাদের দেখিয়েছেন। আপনি যেভাবে কৃষি নিয়ে কাজ করেছেন, এটা শুধু আমাদের নয় বিশ্বের জন্য বড় উদাহরণ।
দেশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আহসান খান চৌধুরী বলেন, সাত যুগ ধরে আপনার বাবা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আপনার পরিবারের প্রতিটি সদস্য এবং আপনি যেভাবে দেশের জন্য প্রাণ নিবেদিত করে কাজ করছেন, এতে আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা আপনার সঙ্গে আছি। আপনি যেভাবে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন, সেই একই কাতারে দাঁড়িয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।
Leave a Reply