
সাদেকুর রহমান, শিবালয় প্রতিনিধিঃ ঘণকুয়াশার কারণে আরিচা-কাজিরহাট এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে আবারও দফায় দফায় বন্ধ থাকছে ফেরি চলাচল। ফলে যানবাহন শ্রমিক ও যাত্রীদেরকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।ফেরি পারাপারের জন্য রাতে আসা নৈশ কোচগুলোকে ঘাটে এবং যাত্রীদেরকে বাসের মধ্যে বসে থেকেই সময় পার করতে হচ্ছে।শীতের মধ্যে ভোগান্তির যেন শেষ নেই।
বিআইডব্লিউটিসি’র আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, অন্যান্য দিনের মতো বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই নদীতে কুয়াশা পড়তে থাকে। গভীর রাতে কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে গেলে নৌ-পথগুলো দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে যায়। দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ৩০ থেকে পরদিন শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ৬ ঘন্টা ফেরি চলাচল বন্ধ রাখেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঘনকুয়াশা কেটে গেলে পুণরায় ফেরি চলাচল শুরু করে।
এদিকে একই কারণে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। এসময় যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে দু’টি ফেরি পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটের মাঝ নদীতে নোঙর করে থাকতে বাধ্য হয়। বাকী ফেরিগুলো উভয় ঘাটে নোঙর করে থাকে।
দুই দিন বিরতির পর গত বুধবার আবার ঘণকুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। ফলে বুধবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত আরিচা-কাজিরহাট এবং সাড়ে ৫টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।
বিআইডব্লিউটিসি’র আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম শাহ মুহাম্মদ খালেদ নেওয়াজ বলেন, একটানা ঘনকুয়াশা পরার পর দুই দিন একটু বিরতি ছিল। আবার গত বুধবার থেকে ঘণকুয়াশা পড়ছে। ফলে নৌপথ দেখা যাচ্ছিল না। এ অবস্থায় ফেরি চালাতে গেলে দুর্ঘটনার আশংকা থাকে। তাই ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঘণকুয়াশা কেটে গেলে পুণরায় ফেরি চলাচল শুরু করেছে বলে তিনি জানান।
Leave a Reply