1. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  2. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
অতিরিক্ত গরমে এড়িয়ে চলবেন যে সব খাবার ? প্রধানমন্ত্রী আজ থাইল্যান্ড যাচ্ছেন সিংগাইরে আনন্দটিভি প্রতিনিধিসহ দুজনের নামে চাঁদাবাজির মামলা সিংগাইর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী ৩ জন হরিরামপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট যুদ্ধে চেয়ারম্যান পদে ৫ প্রতিদ্বন্দ্বী সিঙ্গাইর ও হরিরামপুর উপজেলায় প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ মানিকগঞ্জে মটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল এলজিইডির প্রকৌশলীর মানিকগঞ্জ- ঝিটকা  আঞ্চলিক সড়কে ট্রাক বিকল, যান চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা গরমের বিপদ হিট স্ট্রোক, ঝুঁকি এড়াতে করণীয় তীব্র তাপদাহে পুড়ছে দেশ:পানির জন্য হাহাকার, শঙ্কা কৃষিতে

আমদানি পর্যাপ্ত তারপরও সিন্ডিকেটের কারণে বাজার গরম

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০২৩
  • ৮৯ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: রোজা যত ঘনিয়ে আসছে ভোগ্যপণ্যের বাজার তত গরম হচ্ছে। এখন পরিস্থিতি এমন হয়েছে সকালে যে দামে পণ্য বিক্রি হয়, বিকালে হয় তার চেয়ে বেশিতে। অর্থাৎ বেলা ঘুরতেই দাম বেড়ে যায় পণ্যের। শুধু তা-ই নয়, একই পণ্য একেক বাজারে বিক্রি হয় একেক দামে। তার মানে ব্যবসায়ীরা এখন যে যার মতো ইচ্ছেমাফিক দাম হাঁকেন ক্রেতার কাছে। অথচ বাজারের চিত্রটি এমন হওয়ার কথা নয়, কারণ রোজার মাসকে ঘিরে সব ধরনের পণ্যই পর্যাপ্ত আমদানি হয়েছে। গত তিন-চার মাস ব্যবসায়ীরা ডলার সংকট, এলসি খোলার সংকট বলে অনেক গলা ফাটালেও তলে তলে ভোগ্যপণ্য ঠিকই আমদানি করেছেন। তারপরও ব্যবসায়ীরা পণ্যমূল্য বাড়াচ্ছে সিন্ডিকেট করে। বাজারে গেলেই সেটি টের পাচ্ছেন ভোক্তা।

রোজার মাসে বেশ কয়েকটি ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। এর মধ্যে কিছু পণ্যের জোগান হয় অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে, কিছু পণ্যের জোগান হয় আমদানি করে। বিশেষ করে চিনি, ভোজ্য তেল, ডাল, ছোলা, খেজুর এবং বিভিন্ন রকম ফলের চাহিদ মেটানো হয় আমদানি করে। যুদ্ধের কারণে গত বছর বিশ্ববাজারে এসব পণ্যের দাম বেড়েছিল অনেকখানি। তবে গত তিন মাস ধরে বিশ^বাজারে পণ্যমূল্য কমেছে ধারাবাহিকভাবে। কমতে কমতে যুদ্ধপূর্ববর্তী দাম চলেছে পণ্যের। এই হ্রাসকৃত বাজারমূল্যের সময়ই মূলত দেশের আমদানিকারকরা ভোগ্যপণ্যের এলসি খোলেন ও পণ্য আমদানি করেন। গত তিন মাসে দেশে ভোগ্যপণ্য আমদানিও হয়েছে পর্যাপ্ত। তর প্রমাণ বাজারে গেলেও দেখা যায়। বাজারে কোনো ব্যবসায়ীর দোকানে কোনো পণ্যের কমতি নেই। অথচ ক্রেতা যখন বাজারে পণ্য কিনতে যাচ্ছেন দাম শুনেই ঘাম ছোটে। বিশ^বাজারে দাম কমার কারণে দেশের বাজারে না কমে উল্টো বেড়েই চলেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর রোজার আগে প্রতিশ্রুতি দেন পণ্যমূল্য বাড়াবেন না। পরে তারা সে প্রতিশ্রুতি ভুলে যান, পণ্যমূল্য বাড়ান ইচ্ছেমতো। এতে করে রোজার মাসে দেশের ভোক্তার কষ্টের মাত্রা বেড়ে যায়। এ মন্তব্য করে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান সময়ের আলোকে বলেন, ‘আমরা যত কথাই বলি না কেন, সেটি কর্ণপাত করেন না ব্যবসায়ীরা। রোজার মাস এলে তারা কোনো দিকে তাকান না, তাকান শুধু মুনাফার দিকে। কীভাবে পণ্যমূল্য অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়ে মানুষের পকেট খালি করবে সে চিন্তাই করেন ব্যবসায়ীরা। নতুবা পর্যাপ্ত পণ্য আমদানি এবং বিশ^বাজারে দাম কমার পরও কেন দেশের বাজারে পণ্যমূল্য কমবে না। দাম কমা তো দূরের কথা, উল্টো আরও বেড়েই চলেছে। ভোগ্যপণ্যের ব্যবসায়ীরা নীতিনৈতিকতা মেনে ব্যবসা করলে চিত্রটি ভিন্ন হতো।’

রোজার মাসকে ঘিরে কী পরিমাণে পণ্য আমদানি হয়েছে, সে চিত্রের দিকে তাকালে দেখা যায়- একটি বৃহৎ শিল্প গ্রুপই যে পরিমাণে পণ্য আমদানি করেছে তা দিয়েই রোজার মাসের অর্ধেক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। দেশের ভোগ্যপণ্যের আমদানিকারক অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে রোজাকে ঘিরে তারা কী পরিমাণে পণ্য আমদানি করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখ যায়, দেশে বছরে ভোজ্য তেলের চাহিদা প্রায় ২২ লাখ মেট্রিকটন। আর রমজানে সারা দেশে ভোজ্য তেলের চাহিদা প্রায় ৩ লাখ মেট্রিকটনের মতো। এ চাহিদার প্রায় ৬৫ শতাংশই হচ্ছে পাম অয়েল এবং বাকি ৩৫ শতাংশ সয়াবিন তেল। গ্রুপটি রমজান উপলক্ষে ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল এই তিন মাসে ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিকটন অপরিশোধিত পাম অয়েল আমদানি করবে। এ ছাড়া চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে আমদানি করছে অতিরিক্ত আরও ১৫ হাজার ৮৬ মেট্রিকটন অপরিশোধিত সয়াবিন তেল। প্রতিষ্ঠানটির আমদানি করা মোট সয়াবিন তেল রোজার মাসে দেশের চাহিদার প্রায় ৫০ শতাংশ।

এ ছাড়া দেশের বাজারে বছরে প্রায় ৬৩ লাখ মেট্রিকটন (দেশীয় উৎপাদন ব্যতীত) গমের চাহিদা রয়েছে। প্রতি মাসে ভোক্তাদের প্রয়োজন পড়ে প্রায় ৫ লাখ ২৮ হাজার মেট্রিকটন গম। আর বড় গ্রুপটি রমজান উপলক্ষে ৩ লাখ ৬২ হাজার মেট্রিকটন গম আমদানি করছে, যা মোট চাহিদার প্রায় ৬৮ শতাংশ। এ ছাড়া ২০ মার্চের মধ্যে দুটি জাহাজের মাধ্যমে ১ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিকটন গম দেশে প্রবেশ করবে।

দেশে চিনির বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ মেট্রিকটন প্রায়, এর মধ্যে রমজানে চাহিদা থাকে প্রায় ২ লাখ ৭২ হাজার মেট্রিকটনের মতো। বড় গ্রুপটি রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমদানি করছে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিকটন চিনি অর্থাৎ চাহিদার প্রায় সম্পূর্ণ অংশ। বর্তমানে ৫০ হাজার মেট্রিকটন চিনি নিয়ে ডেনসা টাইগার নামে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে খালাসরত অবস্থায় আছে এবং আমিরা মিরো নামে আরও একটি জাহাজ বড় গ্রুপটির চট্টগ্রাম বন্দরের অভিমুখে আছে। যা শিগগিরই বন্দরে পৌঁছাবে।

একইভাবে বছরে ভোক্তাদের ছোলার প্রয়োজন আছে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিকটন। এর মধ্যে রমজানেই ছোলার চাহিদা থাকে প্রায় ৯১ হাজার মেট্রিকটনের মতো। গ্রুপটি রমজানে ৪৫ হাজার মেট্রিকটন ছোলা আমদানি করছে, যা মোট চাহিদার ৫০ শতাংশ।

সামগ্রিক আমদানি চিত্র

এবার নজর দেওয়া যাক সামগ্রিক আমদানি চিত্রের দিকে। চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের গত তিন মাসে ছোলা আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার টন। মোটর ডাল আমদানি হয় ৭৬ হাজার টন। আবার মসুর ডালের আমদানি হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার টন। সয়াবিন তেল আমদানি হয় ১ লাখ ২১ হাজার টন এবং পাম অয়েল আমদানি হয় ২ লাখ ৩৩ হাজার টন। এ ছাড়া চিনি আমদানি হয়েছে ৪ লাখ ৪১ হাজার টন। বাজারে আটার দাম অনেক দিন ধরেই বাড়তি। তিন মাসে গম আমদানি হয়েছে ৯ লাখ ২৩ হাজার টন। খেজুর আমদানি হয়েছে ৩৫ হাজার টন।

অন্যদিকে এনবিআরের তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পণ্য আমদানি হয়েছে ৫ হাজার ৩৮৩ কোটি ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৫ হাজার ৭৩২ কোটি ডলার। অর্থাৎ ৩৪৯ কোটি ডলারের আমদানি ব্যয় কম হয়েছে। আমদানির এ চিত্র বলছে- গত বছরের চেয়ে দুয়েকটি পণ্য আমদানি কিছুটা কম হলেও রোজার মাসে পণ্যের যে চাহিদা তার চেয়েও বেশি আমদানি করা হয়েছে। সে অনুযায়ী রোজাকে ঘিরে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো কথা না কিন্তু বাজারে গেলে মিলছে উল্টো চিত্র।

বাজারে দাম কেমন

শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজারে দেখা গেছে, অধিকাংশ ক্রেতাই রোজার পণ্যগুলো কেনা শুরু করে দিয়েছেন। এমনিতে সপ্তাহের অন্য যেকোনো দিনের চেয়ে শুক্রবার পণ্যমূল্য কিছুটা বেড়ে যায়। কারণ সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় এদিন বাজারের ক্রেতার উপস্থিতি বাড়ে, পণ্যের চাহিদাও বাড়ে। ব্যবসায়ীরা এ সুযোগে সপ্তাহের অন্য দিনের চেয়ে বেশি দাম হাঁকেন। আর রোজার আগে গতকাল শেষ শুক্রবার হওয়ায় এ দিন রাজধানীর বাজারগুলোতে ক্রেতার ভিড় ছিল প্রচুর। সুযোগ বুঝে ব্যবসায়ীরাও আরেক দফা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন পণ্যের।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে এক কেজি ছোলা ৯৫ থেকে ১০০ , সাদা চিনি ১২০ থেকে ১২৫, ভালোমানের মসুর ডাল ১৫০ থেকে ১৬০, খেসারি ডাল ৯০ থেকে ৯৫, অ্যাংকর ডাল ৮৫ থেকে ৯০, বুটের বেসন ১১০ থেকে ১১৫ এবং প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৯৫ থেকে ২০০ টাকা। এ পণ্যগুলো মূলত রোজার পণ্য হিসেবেই পরিচিত। এসব পণ্যের সবগুলোর দাম আগে থেকেই চড়া, গতকাল নতুন করে বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা।

মাংসের বাজারও আরও চড়েছে। শবে বরাতের সময় এক কেজি গরুর মাংস ৮০০ টাকায় ঠেকেছিল। পরে সেটি নেমে আবার ৭০০ থেকে ৭২০ টাকায় নেমেছিল। তবে গতকাল কেজিতে ৩০ টাকা বড়ে বিক্রি হয়েছে ৭৫০ টাকা। এ ছাড়া খাসির মাংসের দাম দোকানভেদে ১১০০ থেকে ১১৫০ টাকা। বাজারে মুরগির দাম আরও বেড়েছে। আগের সপ্তাহের ২৫০ টাকার ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫৫-২৬০ টাকা কেজিতে। ৩৫০ টাকার সোনালি মুরগির দাম হয়ে গেছে ৩৬০ টাকা আর ১০ টাকা বেড়ে লেয়ার মুরগির দাম হয়েছে ৩১০ টাকা।

কে কী বলছেন

পর্যাপ্ত আমদানির পরও দাম কমলো না কেন, জানতে চাইলে অন্যতম আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান টিকে গ্রুপের পরিচালক ও ভোজ্য তেল আমদানিকারক সমিতির সাবেক সভাপতি মোস্তফা হায়দার চৌধুরী সময়ের আলোকে বলেন, ‘এ কথা ঠিক, ডলার ও এলসি খোলার সংকট থাকার পরও গত তিন মাসে দেশে পর্যাপ্ত ভোগ্যপণ্য আমদানি হয়েছে। তবে বিশ^বাজারে সংকট কিন্তু এখনো আছে। সংকট বলতে অনেক সময় পণ্য মিলছে না, আবার দামও এখনও বেশ চড়া। এ ছাড়া জাহাজ ভাড়াসহ প্রসেসিং ব্যয়ও বেড়েছে। এসব কারণে দেশের বাজারে দাম সে হারে কমছে না। তবে মিল পর্যায়ে আমরা ন্যূনতম মুনাফা রেখে পণ্য বিক্রি করছি। পাইকারি ও খুচরা বাজারে গিয়ে দাম বেড়ে গেলে সে দায় আমাদের না।’

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার সময়ের আলোকে বলেন, ‘আমরা এখন প্রতিদিনই বাজার অভিযানে যাচ্ছি, শুক্রবার ছুটির দিন হলেও আমরা আভিযান করেছি আজ। বাজার অভিযানে গিয়ে আমরাও একটি বিষয় খেয়াল করছি- বাজারে কিন্তু কোনো পণ্যের ঘাটতি নেই। এতেই বোঝা যাচ্ছে পণ্য আমদানি হয়েছে পর্যাপ্ত কিন্তু বাজারে দাম কমছে না কেন? হ্যাঁ যদি দেখতাম বাজারে পণ্য কম, আমদানি হয়নি বেশি- তা হলেও মেনে নেওয়া যেত। বাস্তবে তো তেমনটি নয়। এ জন্য আমরা বাজারে নজরদারি আরও বাড়াচ্ছি। আমরা বাজারের ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বাজার কমিটির নেতাদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনছি। মুরগির মূল্যে কারসাজির প্রমাণ পাওয়ায় আমরা রাজধানীর কাপ্তানবাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কারণ দর্শনানোর নোটিস দিয়েছি। তারা আমাদের অফিসে এসে প্রতিশ্রুতি দিয় গেছেন দামের বিষয়টি তারাও এখন মনিটরিং করবে।’

এদিকে বাজারে ভোগ্যপণ্যের মূল্য কারসাজি বা সিন্ডিকেটের মূল ভূমিকায় থাকেন মিল ও পাইকারি পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ড. বিনায়েক সেন। সময়ের আলোকে তিনি বলেন, ‘ভোগ্যপণ্যের বাজারে যদি কোনো পণ্য নিয়ে সিন্ডিকেট হয়- তা হলে সেটি উৎপাদক ও পাইকারি পর্যায়ে বেশি হয়। এ ক্ষেত্রে তারা কয়েকটি ধাপে সিন্ডিকেট করতে পারে। সরকার ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) প্রথা বাতিল করলেও আড়ালে-অবডালে এখনও সে প্রথা টিকে রয়েছে। পণ্য পাওয়ার আগে এই ডিও লেটার বিক্রি হয়ে যায় কয়েক হাতে। দেখা যাচ্ছে যে ডিলার ডিও নিয়েছে, তিনি পণ্য নিচ্ছেন না মিল থেকে। তিনি লাভ রেখে ডিও বিক্রি করে দিচ্ছেন অন্য ব্যবসায়ীর হাতে। এভাবে মিল পর্যায়েই বেড়ে যাচ্ছে পণ্যমূল্য। পরে পাইকারি বাজারে এসে বাড়ছে আরেক দফা।’ সুত্র: সময়ের আলো।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :